Logo
বুধবার, ১২ মে, ২০২১ | ২৯শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি হবে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা

প্রকাশের সময়: ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ - রবিবার | ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৭

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের নথিতে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা।

রোববার অনুমোদনের পরই তা বিচারপতি মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুসের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয়।

হাইকোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্টার (প্রশাসন ও বিচার) মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজ জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার পেপারবুক প্রস্তুতের পর দ্রুত শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে নথি পাঠানো হয়েছিল। তিনি ওই নথিতে অনুমোদন দিয়েছেন। এখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হাইকোর্টে এ হত্যা মামলার শুনানি হবে।

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়।

২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর আলোচিত দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক এ রায় দেন।

রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথরেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

এদিকে, নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপু, রাজন তালুকদার এবং মীর মো. নূরে আলম লিমন।

এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- এএইচএম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান।

এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

২০১২ সালের  ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ ক্যাডাররা ছাত্রশিবির কর্মী ভেবে নির্মমভাবে খুন করেন দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাসকে। তিনি থাকতেন লক্ষ্মীবাজার। গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে।

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২১ আসামির মধ্যে ৮ জন কারাবন্দী আর বাকিরা পলাতক।

Read previous post:
ফেনীতে দাওয়াত দিয়ে প্রবাসীকে জিম্মি, তিনদিন পর উদ্ধার

তৃতীয় মাত্রা:  কাজী নজরুল ইসলাম,ফেনী সদর: দাওয়াত দিয়ে এক প্রবাসী ও তার চাচাকে জিম্মি করেছে ফয়সাল নামের এক যুবক। ঘটনার...

Close

উপরে