Logo
রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় শিক্ষকের করোনাকালীন ড্রাগন চাষে সাফল্য

প্রকাশের সময়: ৬:২৭ অপরাহ্ণ - রবিবার | জুলাই ১১, ২০২১

তৃতীয় মাত্রা

আব্দুস সামাদ, সাতক্ষীরা থেকে : করোনাকালের অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফলের চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার বাগমারা গ্রামের এক কলেজ শিক্ষক প্রফেসর মো. তৌহিদুজ্জামান। ইতোমধ্যে তার বাগানে আসতে শুরু করেছে ফল। বিক্রয় করতে পারবেন এ মাস থেকেই।

কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষি বাইস্কোপের সহযোগিতায় ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে পিঙ্ক রোজ এন্ড হোয়াইট কালার জাতের ফলের কান্ড সংগ্রহ ৭ বিঘা জমিতে তিনি এ ফলের চাষ শুরু করেন। এ চাষে তিনি এ পর্যন্ত ২৫ লাখ টাকা খরচ করেছেন। একবার এ গাছ লাগিয়ে ২০ বছর পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সাতক্ষীরা তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা-মাগুরা সড়কের পাশে ফলেয়া গ্রামে খুলনা সুন্দরবন সরকারী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর মো. তৌহিদুজ্জামান ৭ বিঘা জমি হারী নিয়ে ড্রাগন ফল চাষ শুরু করেছেন। বাৎসরিক ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা হারীসহ সার্বক্ষনিক মাসিক বেতনেও রেখেছেন দুজন কেয়ারটেকার। জমিতে মোট ১২শ খুটি স্থাপন করেছেন। প্রতি খুঁটিতে রয়েছে ৪ টি করে গাছ। চলতি জুলাই মাস থেকে ফল বাজারজাত করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও জানান, ড্রাগন ফল খুব দ্রুত বাড়ে এবং মোটা শাখা তৈরি করে। একটি এক বছরের গাছে ৩০ টি পর্যন্ত শাখা তৈরী করতে পারে। এক বছরের মাথায় ফল সংগ্রহ করা যায়। এ ফল রসাল অত্যন্ত সুসাধু। এক কেজি ড্রাগন ফল ২শ থেকে ৪ শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। গাছে যেভাবে ফল দেখা যাচ্ছে তাতে দুই বছর পর থেকে লাভের মুখ দেখা যাবে বলে তিনি আশা করছেন।

এ ব্যাপারে তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা বেগম জানান এ উপজেলায় তেমন কেউ এ চাষাবাদে অভ্যস্ত নয়। অনেকে শখের বসে ছাদে ড্রাগন ফল চাষাবাদ করেন। তবে নগরঘাটায় এবং ফলেয়ায় বানিজ্যিক ভাবে এ চাষাবাদ শুরু হয়েছে। আগামীতে তাদের দেখাদেখি আরও অনেক কৃষক এ চাষাবাদে অভ্যস্ত হবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

Read previous post:
২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ২৩০ জনের মৃত্যু

তৃতীয় মাত্রা্ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬...

Close

উপরে