Logo
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

অবশেষে সচল হলো বিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্সটি

প্রকাশের সময়: ৭:৩৪ অপরাহ্ণ - সোমবার | জুলাই ৫, ২০২১

তৃতীয় মাত্রা

নূরে আলম সিদ্দিকী নূর, বিরামপুর থেকে : দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে দীর্ঘ একবছরেরও বেশি সময় ধরে অযত্নে পড়ে থাকা সরকারি এ্যাম্বুলেন্সটি অবশেষে মেরামতের মাধ্যমে সচল করা হয়েছে। এখন থেকে এলাকার রোগীরা ২৪ ঘণ্টাই নিয়মিত এ্যাম্বুলেন্স সেবা পাবেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শ্যামল কুমার রায়।

জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্সটির চালক মো. কামরুজ্জামান তার স্ত্রীর করা মামলার কারণে গত একবছর ধরে বরখাস্ত আছেন। এতে করে চালকের অনুপস্থিতি ও কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে অনেকটা অযত্নেই সেই সচল এ্যাম্বুলেন্সটি কমপ্লেক্স চত্বরে পড়ে ছিল। পরে ঝড়-বৃষ্টি ও রোদে পুড়ে এ্যাম্বুলেন্সটির চাকা ও অনেক যন্ত্রাংশ অকেজো হয়ে যায়। গত ২৬ এপ্রিল কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সহকারি ডা. এ.বি.এম. শাহরিয়ার ফেরদৌস হিমেল এ্যাম্বুলেন্সটি শহরের একটি গ্যারেজে নিয়ে কিছু অংশ মেরামতও করেছিলেন। কিন্তু ড্রাইভার না থাকার কারণে এ্যাম্বুলেন্সটি সেবাদানে আলোর মুখ দেখেনি।

দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস বন্ধ থাকায় জরুরি রোগীরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে। চলতি মাসে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদসদস্য মো. শিবলী সাদিক ও দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দছ এর পরামর্শে নষ্ট এ্যাম্বুলেন্সটি মেরামতের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু ও পৌরমেয়র মো. আক্কাস আলীর আর্থিক সহযোগিতায় সোমবার দুপুরে এ্যাম্বুলেন্সটি মেরামতের মাধ্যমে সচল করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। আর এ কাজটি তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শ্যামল কুমার রায়।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শ্যামল কুমার রায় সোমবার বিকেলে মুঠোফোনে বলেন, ‘এ্যাম্বুলেন্সটির ড্রাইভার মো. কামরুজ্জামান কোর্টে মামলা জনিত কারণে একবছর ধরে বরখাস্ত থাকায় এ্যাম্বুলেন্সটি অব্যবহৃত অবস্থায় ছিল। পরে রোগীদের সেবার কথা চিন্তা করে সংসদসদস্য মো. শিবলী সাদিক, দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দছ ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতিক্রমে অস্থায়ী ভিত্তিতে আলিফ নামের একজনকে ড্রাইভার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাবৃন্দের উপস্থিতিতে এ্যাম্বুলেন্সটি চালু করা হয়। এখন থেকে রোগীরা নিয়মিত এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পাবেন।

Read previous post:
মরণব্যাধি ক্যানসার থেকে বাঁচতে ফজলুর মানবিক সহায়তার আবেদন

তৃতীয় মাত্রা হাসনাইন আহমেদ হাওলাদার, বোরহানউদ্দিন থেকে : মোঃ ফজলু, পিতা: রওশন জামান, হাসান নগর ২নং ওয়ার্ড, বোরহানউদ্দিন, ভোলা। বৈবাহিক...

Close

উপরে