Logo
রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পলাশবাড়ীতে দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৪টি ভূমিহীন অসহায় পরিবার পেলেন ঘরের চাবি ও দলিল

প্রকাশের সময়: ৮:৪৩ অপরাহ্ণ - রবিবার | জুন ২০, ২০২১

তৃতীয় মাত্রা

মোঃ মশফিকুর রহমান, পলাশবাড়ী থেকে : মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে উপহার স্বরূপ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২৪টি পরিবারকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার (২০ জুন) সকালে গণভবন থেকে একযোগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন পরবর্তী ভূমি ও গৃহহীন এসব পরিবারের নিকট তাদের স্ব-স্ব নামীয় বাড়ীর জায়গার দলিল, নির্মিত ঘর ও ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেয়া হয়।

মুজিবশতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গৃহ সমূহ হস্তান্তর কার্যক্রম উপলক্ষে উপজেলা বঙ্গবন্ধু হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে ভূমি ও গৃহহীন এসব পরিবারের নিকট তাদের স্ব-স্ব নামীয় বাড়ীর জায়গার দলিল, নির্মিত ঘর ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান নয়ন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, পৌর মেয়র গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু বকর প্রধান, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন, উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান এএস এম রফিকুল ইসলাম মন্ডল, আনোয়ারা বেগম, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাবেক কমান্ডার আব্দুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আজিজুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী তাহাজ্জদ হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ডিডিএম) মো. রাশেদুল আলমসহ উপজেলা প্রশাসনের অপরাপর দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জায়গাসহ বাড়ী পাওয়া উপকারভোগীরা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সেমিপাকা এসব ঘরে থাকছে ২টি পৃথক রুম এবং ১টি বারান্দাসহ পৃথক ১টি বাথরুম। ভূমিসহ গৃহ পাওয়া উপকারভোগীরা জানায়, তারা এতদিন অন্যের বাড়িতে আশ্রিত অথবা রাস্তার পাশে ঘর তুলে কিংবা যেন-তেন বিচ্ছিন্ন ভাবে বসবাস করে আসছিলেন। এখন থেকে তারা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত নিজেদের ঘরে নিশ্চিন্তে দিনাতিপাত করতে পারবেন। ঘর পেয়ে তারা খুশিতে যেন আত্মহারা। জমির মালিকানাসহ পাকাঘর পেয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন তারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করে যাবেন তারা।

উল্লেখ্য; প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ৬০টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১টি পৌরসভা এবং ১টি ইউনিয়নের বিপরীতে ২৪টি ঘর নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এরমধ্যে পৌরশহরের হরিণমারী গ্রামে ৫টি এবং আমবাড়ী গ্রামে ২টি ঘর। এছাড়া উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ফরকান্দাপুর গ্রামে ১৭টি ঘর। এদিকে, তৃতীয় পর্যায়ে ১৬টি ঘর মধ্যে পৌরসভার আমাবাড়ী গ্রামে ১৪টি এবং হোসেনপুর ইউনিয়নে দিগদারী গ্রামের ২টি ঘর বরাদ্দের তালিকায় উপেক্ষমান রয়েছেন।

Read previous post:
১ কেজি আম পৌনে ৩ লাখ টাকা!

তৃতীয় মাত্রা এক কেজি আমের দাম পৌনে তিন লাখ টাকা। মূল্যবান এই আম পাহারায় গাছের কাছে রাখা হয়েছে সশস্ত্র রক্ষী।...

Close

উপরে