Logo
মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১ | ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

রামগঞ্জে বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়

প্রকাশের সময়: ৬:১৬ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | এপ্রিল ১৩, ২০২১

তৃতীয় মাত্রা

সাখাওয়াত হোসেন, রামগঞ্জ থেকে : ক্রেতাদের আনাগোনা দেখে বোঝার উপায় নেই, দেশে কোনো মহামারি চলছে। সরকার কর্তৃক ঘোষিত আগামীকাল থেকে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউনের ঘোষণা, রমজানের প্রথমদিন ও আগামী ঈদকে মাথায় রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী ও তৈরি পোশাক কিনতে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ভোর থেকে রামগঞ্জের পৌর শহর সহ উপজেলাব‍্যাপী বিভিন্ন বাজারগুলোতে ক্রেতার ঢল নেমেছে।
মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ভোরে রামগঞ্জের পৌর শহর ও ইউনিয়নভুক্ত কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য দিনের চেয়ে আজ ক্রেতার উপস্থিতি অনেকটাই বেশি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে ঘরের বাইরে বের হলেই সার্বক্ষণিক মুখে মাস্ক পরিধান, নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা ও জনসমাবেশ এড়িয়ে চলাসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বার বার বলা হলেও এসবের বালাই নেই।

স্বাস্থ‍্যবিধির বালাই না করেই চলছে কেনাকাটা। পুরুষের তুলনায় মহিলাদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।

বিক্রেতাদের অধিকাংশের মুখেও মাস্ক নেই। ক্রেতাদের অবস্থা তথৈবচ। কারও কারও মুখে মাস্ক থাকলেও তা সঠিকভাবে পরিধান করা হয়নি। থুতনির নিচে বা কানের পাশে ঝুলে আছে। হৈচৈ-চিৎকার-চেঁচামেচিতে সরব বাজারগুলো। দেখে বিন্দুমাত্র বোঝার উপায় নেই দেশে করোনা ভাইরাস নামক কোনো মহামারি চলছে।

অসংখ্য ক্রেতা-বিক্রেতা যারা স্বাস্থ্যবিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাদের সচেতন বা বাধ্য করতে কোনো সরকারি সংস্থা কিংবা বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবক প্রতিষ্ঠানের কাউকে চোখে পড়েনি।

এছাড়াও রামগঞ্জ পৌর শহরের প্রত‍্যেকটি প্রবেশ দ্বার যেন যানজটের আখঁড়া। রিক্সা, অটোরিকশা, সিএনজি, মটরসাইকেল, মালবাহী পিকআপ, কভারভ‍্যান, ট্রাক্টর, ট্রলির অত‍্যাচারে জনজীবন এক ধরনের বিপর্যস্ত ও নাস্তানাবুদ পর্যায়ে পড়েছে।

উপজেলার সোনাপুর, পদ্মা বাজার, সমিতির বাজার সহ কয়েকটি বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, আজকের বাজার অন্যান্যদের দিনের তুলানায় সবচেয়ে বেশি বেচা কেনা হচ্ছে। ৭ দিনের কঠোর লকডাউনের খবর শুনে ক্রেতা বাড়তি দামে নিত্যপণ্য ক্রয় করছেন। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অনেক পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায় যে, পরিস্থিতি কোন দিকে যায় বুঝা মুশকিল। রমজান মাস বিধায় আগ থেকে সব ধরণের পণ্য মজুদ করে রাখছি। তবে যে পরিমান নিত্যপণ্য ক্রয় করেছি আশা করি আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে।

এদিকে কয়েকজনব্যবসায়ী জানান, চাহিদা বেশি কিন্তু সরবরাহ কম। এ অবস্থায় দাম বৃদ্ধি হয়েছে সকল জিনিসপত্রের।

এদিকে লকডাউনের আগে ক্রেতাদের এই হুমড়ি খেয়ে পড়া অবস্থায় স্বাস্ব্যবিধি কেউ মানছেন না। এতে করে করোনার আক্রমন আরোও বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

Read previous post:
পেরুতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে ২২ জন নিহত

তৃতীয় মাত্রা পেরুর আন্দিয়ান সড়কে সোমবার (১২ এপ্রিল) প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতের মধ্যে যাত্রীবাহী একটি বাস উল্টে যাওয়ায় ২২ জন নিহত এবং...

Close

উপরে