Logo
মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১ | ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে ডুবে গেছে ১৩৫৬ হেক্টর জমির ধান

প্রকাশের সময়: ২:৫৫ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | অক্টোবর ২, ২০২০

তৃতীয় মাত্রা
আমিরুল হক, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারীতে দু’দফার বন্যার ধকল কাটিয়ে ওঠার পর কৃষকরা যখন মাঠ ভরা সবুজ ধান ক্ষেত দেখে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছেন। ঠিক এমন সময় সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সৃষ্ট অকাল বন্যা তাদের স্বপ্নকে দুশ্চিন্তায় নিমজ্জিত করেছে। পানিতে ডুবে গেছে ১৩৫৬ হেক্টর জমির আমন ধান।সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলা সদর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা ও তিস্তা পাড় এলাকয় আমন ধান ক্ষেত পানিতে পুরোটাই নিমজ্জিত। আবার অনেক ধান ক্ষেতের গলায় গলায় পানি। এ সময়ে আমন ধান কাইচ থোর অবস্থায় থাকায় প্রকৃত পক্ষে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান অফিস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, গলা পানিতে এভাবে ডুবে থাকলে কাইচ থোর ধান নষ্ট হয়ে যেতে পারে। জেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৫ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষ হয়েছে। কিন্তু অকাল এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে জলমগ্ন হওয়ায় ১ হাজার ৩৫৬ হেক্টর জমির ধান ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। এর মধ্যে নীলফামারী সদরে ৪৫০ হেক্টর, সৈয়দপুরে ৩৫০ হেক্টর, ডোমারে ৫০ হেক্টর, ডিমলায় ২১০ হেক্টর, জলঢাকায় ১২০ হেক্টর এবং কিশোরগঞ্জে ১৭৬ হেক্টর জমির ধান জলমগ্ন হয়েছে।জেলা কৃষি কৃষিসম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষককে ধান গাছ থেকে কাদা ধুয়ে দেয়ার জন্য শুধু পানি স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছি। কমপক্ষে ১০ দিন পর ধান গাছ যখন বসে যাবে, তখন কৃষকদের বিঘা প্রতি ৮ কেজি ইউরিয়া ও ৮ কেজি পটাশ সার দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। প্রসঙ্গত, এর আগে গত জুলাই মাসে জেলায় মোট ২৬ দশমিক ৮ হেক্টর জমির ফসল পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

Read previous post:
নিয়ামতপুরে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন

তৃতীয় মাত্রা নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ সারা দেশের ন্যায় নওগাঁর নিয়ামতপুরে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। গতকাল শুক্রবার সকাল...

Close

উপরে