• Friday, 27 January 2023
কামারখন্দে আশাতীত ভাবে জমছে না কম্বল ব্যবসা

কামারখন্দে আশাতীত ভাবে জমছে না কম্বল ব্যবসা

আমিরুল ইসলাম,কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
শীতের তীব্রতা বেড়েছে জনজীবনে নেমে এসেছে কিছুটা অস্বস্তিতে। শীতের এই তীব্রতা থেকে শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ সকলেরই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে সূর্যের মুখ দেখতে মানুষকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দুপুর পর্যন্ত। এর সাথে যুক্ত হয়েছে শৈত প্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহ নিম্ন আয়ের সাধারণ জনগণ পড়েছে বিপাকে। মুখ থুবড়ে পড়ার মতো হয়েছে সাধারণ মানুষের আয় রোজগারের পথ। রাতে শীতের মাত্রা আরো কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় সাধারন আয়ের মানুষের শীত নিবারণের জন্য অনেকেই সাধারণত শীতকালীন পোশাকের পাশাপাশি কম্বল কেনার জন্য ছুটে আসেন কম্বল ব্যবসায়ীদের কাছে । কিন্তু আয় রোজগার বেশি না থাকায় কম্বল ব্যবসায়ীদের কম্বল কেনার প্রতি আগ্রহ অনেকেই কম মনে করেছেন এ বছরে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন কম্বল ব্যবসায়ীদের কম্বলের কেনাবেচায় আশাতীত ভাবে জমছে না বললেন কম্বল ব্যবসায়ীরা।


জামতৈল স্টেশন সংলগ্ন কম্বল ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম জানান, গতবছরের তুলনায় এ বছরে সবকিছু দাম ঊর্ধ্বগতি থাকলেও কম্বলের যে দাম তাহাই আছে তবুও আমরা বিক্রিতে আশারুপ ফল পাচ্ছি না। কেননা সারা বছরের হিসাব-নিকাশ আমাদের এই কম্বল ব্যবসার উপরেই শীতের দুই থেকে তিন মাস হিসাব করতে হয়।
আরেক কম্বল ব্যবসায়ী ফজল প্রমানিক জানান, ক্রেতা কম থাকায় আমরা খুবই বিস্মিত। গত বছরে ভেড়া কম্বল ৪৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, জোড়াতালি কম্বল আড়াইশো থেকে ৩০০ টাকা বাংলার মোটা কম্বল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাংলার মোটা কম্বল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাংলার মোটা সিঙ্গেল কম্বল ১০০ থেকে ১৩০ টাকা বিক্রি করছি। অথচ এখন পর্যন্ত কম্বলের দাম গতবারের যে দাম ছিল সেটাই আছে। আমরা কম্বলের দাম গতবারের তুলনায় এবার বেশি নিচ্ছি না।


কম্বল ক্রেতা এক মহিলা জানান, আমার বাড়িতে কম্বল আছে গত বছরের । এ বছরও একটা কিনতে এসেছি যদি কম দামে পাই তাহলে একটা কিনে নিয়ে যাব। আর এক ক্রেতা বাদশা জানান, অটো ভ্যান চালিয়ে আগের মত আর আয় করতে পারিনা তার উপর আগের চাইতে অনেক বেশি অটো ভ্যান হয়েছে । যদি সুবিধামতো পাই তাহলে একটা কম্বল কিনতে চাই এজন্যই এখানে এসেছি।

comment / reply_from