• Friday, 27 January 2023
এডিডি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিবন্ধী অধিকার আয়োজনে আলোচনা সভা

এডিডি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিবন্ধী অধিকার আয়োজনে আলোচনা সভা

মাসুদ রানা বাচ্চু, সিরাজগঞ্জ.
সরকার প্রতিবন্ধীদের সম্পদে পরিণত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছে এডিডি ইন্টারন্যাশনাল সফল  বাংলাদেশ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার  ফিল্ড কার্ডনেটর নাজমুল ইসলাম খান।
 
বৃহস্পতিবার( ২২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় সদর উপজেলা ছোনগাছা ইউনিয়নে মটিয়ার পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে   অনুষ্ঠিত 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন' শীর্ষক আলোচনা সভায়  তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিবন্ধী নারীদের জাতীয় পরিষদ এডিডি ইন্টারন্যাশনাল সফল বাংলাদেশ সংস্থা  এই আলোচনা সভা আয়োজন করে।
 
তিনি বলেন, দেশ উন্নত হচ্ছে। উন্নয়নের ছোঁয়া সবক্ষেত্রে পৌঁছে গেছে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীও এখন উন্নয়নের কাতারে। কাউকে বাদ দিয়ে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা নেই। বিশেষ করে দেশের প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের প্রশিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে সরকার প্রধান যথেষ্ট আন্তরিক।প্রধান অতিথির বক্তব্যে  বলেন, প্রতিবন্ধীরা আমাদের সন্তান। তাদেরকে সম্পদে পরিণত করতে হলে সঠিক শিক্ষা দিতে হবে।
 
কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করার পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিবন্ধীদের কর্মক্ষেত্র তৈরি করার সুযোগ দিলে দেশের উন্নয়নে তারা আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে।আলোচনা সভায়  প্রথম পর্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রতিবন্ধীদেরকে নিজেদের দৃঢ়তায় সামনে এগিয়ে যাবার স্বপ্ন দেখার আহবান জানান। তারা বলেন, সরকার প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এখন গ্রামে-গঞ্জে, শহরে-বন্দরে সবখানে স্বাবলম্বী, সফল ও সাহসী প্রতিবন্ধীদের দেখা যায়। এরা অন্যদের কাছে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার বড় উদাহরণ ও অনুপ্রেরণা।
 
সফল প্রতিবন্ধী অধিকার সংস্থা কোষাদক্ষ নারী মোছাঃ নাকি খাতুনের  সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মটিয়ার পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  অষিস কুমার ঘোস,ইউপি সদস্য আব্দুল মমিন, এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ফিল ফ্যাসালিটর রাজাকুজ্জামান পলাশ, এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ফিল ফ্যাসালিটর সায়মা জাহান সহ প্রমুখ। কর্মশালায় প্রতিবন্ধীদের অধিকার বিষয়ক আইন ও নীতিমালা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, চাহিদানুযায়ী কর্ম সহায়ক উপকরণ ও সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা, ভাতা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কোটা সংরক্ষণ এবং সকল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নির্ধারিত ৫% কোটা নিশ্চিত করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে প্রতিবন্ধীদের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। ছবি সহ 

comment / reply_from