• Tuesday, 31 January 2023
ইভটিজিংয়ে বাঁধা শিক্ষকে মারধর!গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত

ইভটিজিংয়ে বাঁধা শিক্ষকে মারধর!গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত

ইভটিজিংয়ে বাঁধা শিক্ষকে মারধর!গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত

মাহমুদুল হাসান মনি(সাটুরিয়া)মানিকগঞ্জ.

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ইভটিজিং করার বাঁধা দেওয়ায় ওই স্কুলের ইংরেজি শিক্ষক মো. তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছে!


দুই বখাটে যুবক।বর্তমানে আহত শিক্ষক সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।গতকাল বুধবার সকাল পোনে দশটায় স্কুলের গেটের সামনে এই ঘটনা ঘটে।অপরদিকে আসামীদের দ্রুত প্রেপ্তার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বজলুর রহমান শিক্ষক আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন হরগজ বালুচরের মো. রফিকের ছেলে আলামিন ও রহমানের ছেলে রমজান আলী স্বজল এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি বলেন আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

তার মুখে ৪ টি সেলাই দেয়া হয়েছে।তিনি আরো বলেন অভিযুক্ত দুই যুবক বখাটে।এরা এলাকার চিহ্নিত নেশা ও মাদকাসক্ত। তিনি শিক্ষককে আহত হওয়ার ঘটনায় জড়িত দুই বখাটে যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।


আহত শিক্ষক মো.মোফাজ্জল হোসেন বলেন আমি সকালে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াচ্ছিলাম। এ
সময় আমার মোবাইল ফোনে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে। ফোন রিসিভ করার পর
বখাটে আলামিন ও রমজান আমাকে স্কুল গেটে দেখা করতে বলে। প্রাইভেট পড়ানো শেষে সকাল
পোনে দশটায় স্কুল গেটে আসলে তারা আমাকে অতর্কিতভাবে বেদম পেটাতে থাকে। স্থানীয়রা
এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্কুলে স্থানীয়রা খবর দিলে সহকর্মীরা এগিয়ে এসে
আমাকে উদ্ধার করে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।


এ ঘটনায় সাটুরিয়া থানার ওসি(তদন্ত) মো. মহব্বত খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
হরগজ ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন জ্যোতি বলেন,শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করার
ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন অভিযুক্তদের
আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।


হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড এর
সাবেক কমান্ডার আ খ ম নুরুল হক বলেন স্কুল চলাকালীন সময় ও স্কুল ছুটি হওয়ার সময় যদি পুলিশ
প্রশাসন তাদের তদারকি বাড়ায় তাহলে এই ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে বলে আমি মনে করি।
সাটুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থল ইতিমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে।আসামিদের দ্রুত প্রেপ্তারের জন্য পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

 

comment / reply_from