• Friday, 03 February 2023
আদমদীঘিতে সন্ত্রাস রাজু বাহিনীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আদমদীঘিতে সন্ত্রাস রাজু বাহিনীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

রাকিবুল হাসান,আদমদীঘি(বগুড়া) প্রতিনিধি.

বগুড়ার আদমদীঘির ছাতিয়ানগ্রামে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী রাজু এবং তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম বাজারে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী আয়োজনটি করেন। তাদের পক্ষে সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল নামের এক শিক্ষক।


সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছিল শান্তিপূর্ণ এলাকা। কিন্তু সেখানে হঠাৎ রাজু পাহালোহান নামের এক যুবকের উৎপাত সৃষ্টি হয়। এরপর রাজু একটি সন্ত্রাসী বাহীনি গড়ে তোলে। সেই বাহীনি অপহরন, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি, জুয়া, মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েন। শুধু তাই নয়, তারা স্কুল ছাত্রীদের প্রকাশ্যে ইভটিজিং কারে। তাদের অত্যচারে অনেক অভিভাবকরা মেয়েদেরকে দূরের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে রেখে পড়াশোনা করাচ্ছেন। তাদের মাত্রাতিরিক্ত অত্যচারের কারনে অনেক ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ দিতেও ভয় পান।

আর কেউ তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিলে জামিনে বেরিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারপিট, ভাঙচুরসহ নানা ধরনের অত্যাচার করে। তাদের কার্যকলাপে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে বিচারের দাবীতে গত বছর ২২ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর গণস্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এছাড়া রাজু পাহালোয়ানের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা থাকায় বর্তমানে নওগাঁয় পালিয়ে রয়েছে।

গত ২১ নভেম্বর ছাতিয়ানগ্রামের মন্টু মÐলের ছেলে শাকিল নওগাঁয় ফুলকপি বিক্রি করে ফেরার পথে কাঁঠালতলী এলাকায় পৌঁছলে তার পথরোধ করে টানাহেচড়া করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানিয় জনতার প্রতিরোধের মুখে তাকে ছেড়ে দেয়। শুধু তাই নয়, মাত্র তিনদিন পর তারা একই এলাকার মুক্তার হোসেনের ছেলে রাকিবুলকে বাগবাড়ি অটোমিলের সামনে থেকে মোটরসাইকেল যোগে অপহরনের পর মারপিট করে আহত করে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করেন। চিহ্নিত এই সন্ত্রাসী গ্রুপের কর্মকান্ড থেকে মুক্তি পেতে এবং দ্রত তাদের গ্রেপ্তারের দাবীতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজু বাহিনীর নির্যাতনের স্বীকার রাকিবুলের বাবা মুক্তার, রাফির বাবা আশরাফুল, শাহিনের ভাই আবু সাঈদ, রবিউলের বাবা এমদাদুল ও মিজানসহ আরও অনেকে।

comment / reply_from