৫ চোরাই সিনএনজিসহ আটক এক 

93
৫ চোরাই সিনএনজিসহ আটক এক 
৫ চোরাই সিনএনজিসহ আটক এক 

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম হাটহাজারী এলাকা থেকে ০৫ টি চোরাই সিএনজি উদ্ধারসহ ০১ জন সিএনজি চোরাকারবারী’কে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম।  শনিবার ২জুলাই রাত আড়াইটার দিকে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন মুহুরীহাট বটতল হযরত মোমেন শাহ সিএনজি গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

র‌্যাব জানায়, কিছুদিন যাবৎ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারীসহ আশ-পাশের বিভিন্ন এলাকায় সিএনজি চুরির ব্যাপারে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম বরাবর অভিযোগ আসছিলো এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকজন এরুপ সিএনজি চুরির বিষয়ে সংবাদ দিত। ভুক্তভোগীদের এরুপ তথ্য মোতাবেক চোরাই সিএনজি উদ্ধার ও জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ০২ জুলাই ২০২২খ্রিঃ আনুমানিক রাত ২.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন মুহুরীহাট বটতল হযরত মোমেন শাহ সিএনজি গ্যারেজে অভিযান পরিচালনা করে ইফতেকার হাসান(১৮) আটক করে। 

আসামী ইফতেকার হাসান হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মহুরীহাট বটতল এলাকার বদিউল আলমের ছেলে।

পরবর্তীতে ধৃত আসামীর স্বীকারোক্তি ও তার দেখানো মতে উক্ত গ্যারেজ হতে চোরাই ও রেজিষ্টেশন নাম্বার বিহীন ০৫টি সিএনজি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ০৫টি চোরাই সিএনজির আনুমানিক মুল্য ৩০,০০,০০০/-টাকা। 

আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে সে আরো স্বীকার করে যে, উল্লেখিত সিএনজি গ্যারেজটি ধৃত চোরাকারবারী ইফতেকার হাসান ও তার বাবা বদিউল আলম পরিচালনা করে আসছে এবং উদ্ধারকৃত সিএনজিগুলো চোরাই সিএনজি। চোরাই সিএনজি জেনেও সে সিএনজিগুলো চোরদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে তার গ্যারেজে রেখেছিল। উল্লেখ্য যে, ধৃত আসামীর বাবা বদিউল আলম ফটিকছড়ি থানার মামলা নং-১৩ তারিখ-২৭/০৯/২০১৪ খ্রিঃ ধারা ৩৭৯ পেনাল কোড এর আসামী। 

এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন জানান, আনুমানিক ০২ (দুই) মাস পূর্বে আসামীর বাবা বদিউল আলম চোরাই সিএনজি রাখার অপরাধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হাজতে অবস্থান করছে। তার অবর্তমানে তার ছেলে ধৃত আসামী ইফতেকার হাসান চোরাই সিএনজির ব্যবসাটি পরিচালনা করে আসছে।  গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।