স্বামী-স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম

113
নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্বামীকে ধারালো অস্ত্র চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করে ও স্ত্রীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্বামীকে ধারালো অস্ত্র চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করে ও স্ত্রীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মোঃ ইমরান ইসলাম, নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্বামীকে ধারালো অস্ত্র চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করে ও স্ত্রীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের কায়শাকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় আহত সায়েফ উদ্দীন (৪৫) ও শাহানারা (৪০) দম্পতিকে প্রথমে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে সায়েফ উদ্দীনের অবস্থার অবনতিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহত শাহানারাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে নিয়ামতপুর থানায় সায়েফ উদ্দীনের মেয়ে বাদি হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাহার আলীর মেয়ে শাহানারা বেগমের নামে তিনি ১৯ শতক জমি লিখে দেয়। এরপর থেকে বাবার আরেক মেয়ে হাসিনা ও জামাই আসাদুল ইসলাম, নাতনি হ্যাপীর সাথে ঐ জমি লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিলো।

ঘটনার দিন সকালে ঐ জমিতে হাল-চাষের উদ্দেশ্যে স্বামী ও স্ত্রী জমিতে আসলে বিবাদীদ্বয়ের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে হাসিনার হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে সায়েফ উদ্দীনের পেটের ভিতর ঢুকিয়ে দেয়। অন্যদিকে হ্যাপীর হাতে থাকা বটি দিয়ে শাহানারাকে আঘাত করলে তার ডান হাতের দুটি আঙ্গুল কেটে যায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের দুজনকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) হুমায়ূন কবির জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপুর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।