সার বিক্রিতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ডিলারদের

দেশের প্রতিটি অঞ্চলেই সরকার প্রান্তিক কৃষক জনগোষ্ঠীর সুবিধার্থে কৃষির উন্নয়ন লক্ষে সরকার কোটি টাকা ভতুর্কী দিয়ে ইউরিয়া সহ নানাবিধ সার ও কিটনাশক পৌছেঁ দিলেও, দক্ষিন অঞ্চলের পটুয়াখালী জেলার সমুদ্র উপকূলীয় বিভিন্ন উপজেলায় সুষ্ঠু নিতিমালা ও দূর্গম এলাকায় পৌছাঁতে লোকসান গুনতে হচ্ছে সার ডিলারদের। যা বর্তমান সময়ে সার ডিলারদের মরার উপর খরা ঘা’য়ে পরিনিত হচ্ছে।
তথ্য ও গভেষণা করে জানা যায় ২০০৯ সালের নিতিমালা অনুয়ায়ী পরিবহণ খরচ ও লভ্যাংশ সহ ১শত টাকা ধার্যকরা হয়েছিল । বিগত ১৪ বছরে পরেও দফায় দফায় পরিবহণ খরচ, নিত্যপণ্য দ্রব্য মূল্যে ও জ্বালানী তেল মূল্য বৃদ্ধির ফলে সার পরিবহণ খরচ এক টাকাও বাড়েনি।

ইউরিয়া সারের ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এবং চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতিকেজি ১৪ (চৌদ্দ) টাকা হতে বৃদ্ধি করে প্রতি কেজি ২০ (বিশ) টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ (ষোল) টাকা হতে বৃদ্ধি করে প্রতিকেজি ২২ (বাইশ) টাকা পুননির্ধারণ করেছে সরকার। যা গত ০১ আগস্ট ২০২২ হতে কার্যকর করা হয়েছে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিকেজি ইউরিয়ার সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা। এর ফলে ৬ টাকা দাম বৃদ্ধির পরও সরকারকে প্রতি কেজিতে ৫৯ টাকা ভতুর্কি প্রদান করতে হবে। যা বিগত ২০০৫—০৬ অর্থবছরে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের ভর্তুকি ছিল মাত্র ১৫ টাকা।

কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হলো চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে নিত্যপণ্য দ্রব্যের পাশাপাশি জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধি হলেও ২০০৯ সালের নিতিমালা অনুয়ায়ী পরিবহণ খরচ ও লভ্যাংশ সহ ১শত টাকা ধায্যর্করা হয়েছিলো। বিগত ১৪ বছরে পরেও দফায় দফায় পরিবহণ খরচ, নিত্যপণ্য, দ্রব্যে মূল্যে ও জ্বালানী তেল মূল্য বারলেও সরকারি নিতি নির্ধারণ পর্যায়ে সার পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি হয়নি। যে কারনে দূর্ভোগে পরেছে লাইসেন্স কৃত সার ডিলাররা।

অনুুসন্ধানে কতিপয় সার ডিলাররা গণমাধ্যমকে জানান। সে ক্ষেত্রে জানা যায় কার্গো জাহাজ, ট্রাক সড়ক যোগাযোগ, লঞ্চ ট্রলারে সার লোডিং — আনলোডিংএ লেবার শ্রকিম মুজুরী বৃদ্ধি হওয়াটাও কারণ বলে তারা উল্লেখ করেন। এছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে সাব ডিলার বা খুচরা বিক্রেতারা আইন ও প্রশাসনিক ভয়ে সার বিক্রিতে অনেকেই অন— ইচ্ছা প্রকাশ করছে।