শিক্ষক হত্যা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় ইবিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ 

91
শিক্ষক হত্যা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় ইবিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ 
শিক্ষক হত্যা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় ইবিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ 

ইবি প্রতিনিধি : সাভারের আশুলিয়ায় শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারের হত্যাকাণ্ড এবং নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বাবু স্বপন কুমার বিশ্বাসের লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষকবৃন্দ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

এসময় বক্তারা বলেন, কর্পোরেট নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা দিয়ে জাতির উন্নতি সম্ভব না। নৈতিকতা ও অনুশাসন অবশ্যই থাকতে হবে। একজন শিক্ষার্থী একজন শিক্ষককে আঘাত করতে পারে এটা আমরা কখনোই কল্পনা করতে পারিনা। যে শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনুশাসন করার অধিকার রাখে না সেই শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনটা কি! আমরা মনে করি এটা শিক্ষার অভাব নয়, আমাদের সমাজব্যবস্থার সমস্যা। আমরা চাই সমাজটা সংস্কার হোক, সাধারণ মানুষের বোধগুলো জাগ্রত হোক। আর এর শুরুটা আমাদের পরিবার থেকেই করতে হবে। 

বক্তারা আরও বলেন, পুলিশের সামনে একজন শিক্ষককে জুতার মালা পরাতে হবে এটা কোন ধরনের রীতি। এধরণের নোংরা কাজ শিক্ষার্থীরা করছে নাকি শিক্ষার্থীদের দিয়ে করানো হচ্ছে সেটা খুঁজে বের করতে হবে। পাশাপাশি তারা এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারিবারিক শিক্ষা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সেই সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।  

এসময় বক্তব্য রাখেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ, একই বিভাগের প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দার, কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. আহসানুল আম্বিয়া প্রমুখ। 

এছাড়া অবস্থান কর্মসূচিতে ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের এসোসিয়েট প্রফেসর ড. বিকাশ চন্দ্র সিং, একই বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর মো. জসিম উদ্দিন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর আরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।