লালমনিরহাটে আবারো তিস্তার পানি বৃদ্ধি, জরুরী হয়ে পড়েছে শুকনো খাবার

82
লালমনিরহাটে আবারো তিস্তার পানি বৃদ্ধি জরুরী হয়ে পড়েছে শুকনো খাবার
লালমনিরহাটে আবারো তিস্তার পানি বৃদ্ধি জরুরী হয়ে পড়েছে শুকনো খাবার

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলে আবারো লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ আদিতমারী ও সদর তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে ইত্যেমধ্যে ১৭টি ইউনিয়নে প্লাবিত হয়ে ১৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। জরুরী হয়ে পড়েছে শুকনো খাবার বিতরণ।

জানাগেছে, বুধবার ভোর ৬টা থেকে তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বাড়তে থাকে। ফলে হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া, সানিয়াজান,গড্ডিমারী,সিংগীমারী,সিন্দুর্না,পাটিকাপাড়া ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ১ হাজার ২শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। মানুষজনের চলাফেরার রাস্তা ঘাট তলিয়ে যায় পানির নিচে। আঞ্চলিক সড়ক গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। অনেক পরিবার রান্না করতে না পেরে শিশু সন্তান নিয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পানিবন্দি পরিবারের মোজাম্মেল হক বলেন, রান্নাঘরে পানি আসায় চুলা জ্বালানোর কোনো ব্যবস্থা নাই। সকাল থেকে বিস্কুট খেয়ে গবাদি পশু নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। গড্ডিমারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন সহ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান, হঠাৎ নদীর পানি বেড়ে এলাকার কয়েকশ মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। পানিবন্দি পরিবারগুলো ত্রাণ সহায়তা খুবই জরুরী প্রয়োজন।

বুধবার বিকাল ৪টায় তিস্তা ব্যারেজ কন্টল রুম থেকে জানান, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি বেড়েছে। তবে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

 হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজির হোসেন বলেন,উপজেলার পানিবন্দি হয়েছে কয়েকটি ইউনিয়নের লোকজন। তবে কী পরিমাণ লোকজন পানিবন্দি হয়েছে তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। পরিবারগুলোর জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে ত্রাণ সহায়তার আবেদন করা হয়েছে। ত্রাণ সহায়তা পেলে দ্রুত পানিবন্দি পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হবে।