রাণীশংকৈলে চলছে মাস্ক বিতরণ ও জরিমানা

89

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বৃহস্পতিবার ২৭জানুয়ারী প্রশাসন কর্তৃক মাস্ক বিতরণ ও ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা করা হয়। পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

উপজেলার বেশিভাগ মানুষ বিধিনিষেধ মানছেন না। করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় সারা দেশে সার্বিক প্রস্তুতি ও চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার। কিন্তু রাণীশংকৈলে মানুষের মধ্যে উদাসীনতা লক্ষ করা যাচ্ছ। হাটবাজারগুলোতে মানুষকে সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। আবার যারা মাস্ক ব্যবহার করছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই নিয়ম মেনে ব্যবহার করছেন না। এদিকে ঠাকুরগাঁও জেলা দিনদিন সংক্রমণ বেড়ে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেও রাণীশংকৈল উপজেলার অধিকাংশ মানুষকে মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। প্রশাসনের লোকজন দেখলে কেউ কেউ আড়ালে যাচ্ছেন আবার কেউ পকেটে থাকা মাস্ক বের করে পড়ছেন। বৃহস্পতিবার সহকারি কমিশনার ভূমি ইন্দ্রজিৎ সাহা, থানা অফিসার ইনচার্জ এসএম জাহিদ ইকবাল, আব্দুল লতিফ সেখ (তদন্ত) সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে মাস্ক বিতরণ ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের সূত্র মতে, ২০২০ সালের ১১ এপ্রিল ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। ওই বছর জেলায় ৮ হাজার ১৫৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৪৮১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ছিল ১৮ দশমিক ১৫ , করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান ২৯ জন। উপজেলা স্বাস্থ্য পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌধুরী বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মানতে আমরা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। তাৎক্ষণিক করোনার ফলাফল জানতে অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। এত সুবিধা থাকার পরেও মানুষ সচেতন হচ্ছে না। নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট সহকারি কমিশনার ভূমি ইন্দ্রজিৎ সাহা জানান, ‘স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে আমাদের গণসচেতনতা মূলক প্রচারনা চলমান রয়েছে। যারা একেবারেই মানছেন না তাদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হচ্ছে। এ অভিযান অভ্যাহত থাকবে।