ময়মনসিংহে নিজেকে ঈসা নবী দাবি করা যুবক কারাগারে (ভিডিও)

408
নিজেকে ঈসা নবী দাবি করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার নামে প্রতারণা করায় একজর আদিবাসী খ্রিস্টান যুবককে আটকের পর আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হেয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায়।
নিজেকে ঈসা নবী দাবি করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার নামে প্রতারণা করায় একজর আদিবাসী খ্রিস্টান যুবককে আটকের পর আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হেয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায়।

নিজেকে ঈসা নবী দাবি করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার নামে প্রতারণা করায় একজর আদিবাসী খ্রিস্টান যুবককে আটকের পর আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হেয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায়।

আটককৃত যুবকের নাম সঞ্জীব রিছিল। বয়স ৪০ বছর। তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার বালিডাঙ্গী থানার মাগেরসবাড়ী কাচারীপাড়ায়। তার বাবার নাম শিন্তারাম চিং। তবে শৈশব থেকেই হালুয়াঘাটের জুগলী ইউনিয়নের জয়রামকুড়া গ্রামে খালার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন সঞ্জীব।

বুধবার, ১ জুন দিবাগত গভীর রাতে জয়রামকুড়া গ্রাম থেকে সঞ্জীবকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও প্রতারণার মামলায় পরদিন বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হয়। এসময় তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন আদালত।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সঞ্জীব বেশকিছুদিন ধরেই নিজেকে ঈসা নবী বলে দাবি করে আসছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া সহজ-সরল গ্রামবাসীর সঙ্গে ধর্মের কথা বলে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে আসছিলেন সঞ্জীব।

স্থানীয়রা জানান, শৈশব থেকেই খালার বাড়িতে থেকে বড় হয়েছেন সঞ্জীব। প্রায়ই ঢাকায় যাতায়াত ছিল তার। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার পর কিছুদিন তাকে মাশরুম চাষ করতে দেখা যায়। অনেকদিন ধরেই তিনি বাড়িতে উঁচু বৈঠকখানা বানিয়ে সেখানে নিজের মতো করে একটি ধর্মশালা বানিয়েছেন। একজন নারী মুরিদও আছে তার। বাড়ি থেকে খুব একটা বের হতেন না। তাকে বাড়ির বাইরে খুব কমই দেখা যেত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায়ই মসজিদে আজান শুরু হলেই খুব জোরে গান বাজাতেন সঞ্জীব। প্রতিবাদ করলেও গ্রামবাসীর কথা মানতেন না। এক পর্যায়ে নিজেকে ঈসা নবী দাবি করে বসে সে। ধর্মের কথা বলে চিকিৎসার নামে প্রতারণাও করেন। এসব প্রতারণামূলক কর্মকান্ডের জন্য সঞ্জীবের বিচার দাবি করেন গ্রামবাসী।

ঘটনার সত্যথা নিশ্চিত করে হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান খান জানান, স্যোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনা জানার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সে প্রতারণার কথা স্বীকার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

https://www.youtube.com/watch?v=uS8Ype52LJA