ভাগ্নেকে বিয়ের জন্য মামীর অনশন

435
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ভাগ্নের প্রেমে অন্ধ মামী বিয়ের দাবিতে খেপেছেন। ভাগ্নের বাড়িতে গিয়ে রীতিমতো অনশন করে হইচই ফেলে দিয়েছেন প্রোষিতভর্তৃকা ওই নারী। বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্দি গ্রামে।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ভাগ্নের প্রেমে অন্ধ মামী বিয়ের দাবিতে খেপেছেন। ভাগ্নের বাড়িতে গিয়ে রীতিমতো অনশন করে হইচই ফেলে দিয়েছেন প্রোষিতভর্তৃকা ওই নারী। বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্দি গ্রামে।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ভাগ্নের প্রেমে অন্ধ মামী বিয়ের দাবিতে খেপেছেন। ভাগ্নের বাড়িতে গিয়ে রীতিমতো অনশন করে হইচই ফেলে দিয়েছেন এক সময়ের প্রোষিতভর্তৃকা ওই নারী। বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্দি গ্রামে।

স্বামী প্রবাসী বিল্লাল হোসেন বিদেশে থাকায় ভাগ্নে আনোয়ার হোসেন মানিকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন সীমা আক্তার নামের ওই নারী। অবাধ মেলামেশার পর এবার ভাগ্নেকে বিয়ের দাবিতে অনশন করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন সীমা আক্তার।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা গ্রামের দেওয়ান বাড়ির মেয়ে সীমা আক্তার। তার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্দি গ্রামের প্রবাসী বিল্লাল হোসেনের বিয়ে হয় ২০০৯ সালে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়।

বিল্লাহ হোসেন বছরের পর বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করায় তার ভাগ্নে মানিকের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত হন সীমা আক্তার। মানিক অবাধে যাতায়াত করতে থাকে সীমার বাড়িতে। মামী-ভাগ্নে সম্পর্কের কারণে তাদের ঘনিষ্ঠতায় কেউ আপত্তি তোলেননি।

সীমা আক্তারের দাবি, প্রবাসী বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতে থাকে মানিক। ছলে-বলে-কৌশলে তার আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। এক পর্যায়ে মানিকের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

শুরুর দিকে কেউ আঁচ করতে না পারলেও এক পর্যায়ে তাদের পরকীয়ার খবর জানাজানি হয়ে যায়। এই কথা তার প্রবাসী স্বামীর কানে গেলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে বিল্লালের সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়।

সীমাকে বিয়ে করার অঙ্গীকার করে বছর চারেক আগে পরকীয়া প্রেমিক মানিকও বিদেশে চলে যায়। পরে পারিবারিক চাপে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের এনামুল হককে বিয়ে করতে বাধ্য হন সীমা। কিন্তু মানিকের কথা জানতে পেরে সীমাকে তালাক দেন তার দ্বিতীয় স্বামী।

সীমা আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী, মানিক তাকে দিনের পর দিন স্ত্রীর মতো ব্যবহার করে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। মানিকের জন্যই আজ তার এই দুরবস্থা। মানিক তাকে বিয়ে না করলে তিনি আত্মহত্যার করবেন।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল জানান, সীমা আক্তার ৯৯৯ নম্বরে কল করে অভিযোগ দিয়েছেন। একটা মামলাও চলমান রয়েছে। বিষয়টির মীমাংসা করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি অবগত হয়েছি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।