বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

103

বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২১ জুন) সকাল ৮টায় তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে তিনি এ তিন জেলার বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যাত্রা শুরু করেন।

নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার বন্যা কবলিত এলাকাগুলো হেলিকপ্টারযোগে পরিদর্শন করবেন সরকার প্রধান।

সফরসূচি অনুযায়ী, বন্যাকবলিত অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সিলেট বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি অবতরণ করবে। পরে সিলেটে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। পরে দুপুর ১টায় সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন শেখ হাসিনা।

এর আগে দেশের বন্যা পরিস্থিতিতে সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‌‘এবার বন্যা একটু বড় আকারে আসবে—এমন আশঙ্কার কথা সরকারের সবাইকে আগেই জানিয়েছি। ফলে আগে থেকে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। বন্যায় যেন মানুষের কষ্ট না হয়, সেজন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধারকাজ—সবই করছি। প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী থেকে শুরু করে সব প্রতিষ্ঠান উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা চালাচ্ছে। সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও সহযোগিতা করছে, ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ করছে। স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানির ট্যাবলেটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে অন্যান্য ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। পানি নেমে গেলে যে পরিস্থিতি হতে পারে, তা মোকাবিলায় সব প্রস্তুতিও আমরা নিচ্ছি।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগেও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। সেটার জন্য আগে থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি। পানি নিষ্কাশনের জন্য যা যা ব্যবস্থা আছে, যেগুলোও করে যাব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ১০ থেকে ১২ বছর পরপর এ ধরনের বড় বন্যা আসে। বন্যার বিষয়ে সবাইকে অনেক আগে থেকেই সতর্ক করেছিলাম। আমাদের সরকারের সবাইকে বলেছিলাম, এবার কিন্তু বন্যাটা একটু বড় আকারে আসবে। কাজেই আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। ফলে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। এই পানি যখন নামবে, মধ্যাঞ্চল যখন প্লাবিত হবে, ঠিক শ্রাবণ মাস পর্যন্ত থাকবে। শ্রাবণ থেকে ভাদ্র পর্যন্ত আবার দক্ষিণাঞ্চল প্লাবিত হবে।’