বড়াইগ্রামে যুবকের বিশেষ অঙ্গ কর্তনের অভিযোগে গৃহবধু আটক

92

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রামে গৃহবধু মুন্নী বেগমের (২৫) বিরুদ্ধে জহুরুল ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবকের বিশেষ অঙ্গ কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জলশুকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহবধু মুন্নী বেগমকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ভিকটিম জহুরুল ইসলাম উপজেলার বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের বিরাজ উদ্দিনের ছেলে এবং গ্রেপ্তারকৃত মুন্নী পাশের উপলশহর গ্রামের আব্দুল গফুরের স্ত্রী।

এলাকাবাসী ও থানা সুত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে মুন্নী তার প্রতিবেশী জহুরুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে উপজেলার জালশুকা গ্রামে তার বাবার বাড়িতে ডেকে নেন। পরে কৌশলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জহুরুলের বিশেষ অঙ্গ কেটে দেন। তারপর রক্তাক্ত অবস্থায় জহুরুল ছুটে গিয়ে জালশুকা বাজারের লোকজনকে জানালে তারা তাকে উপজেলা হেল্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মুন্নী’র শ্বাশুড়ি গোলাপজান বেগম জানান, জহুরুল দীর্ঘদিন থেকেই তার পুত্রবধুকে কু-প্রস্তাব দেয়াসহ নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিল। সেজন্য বাধ্য হয়ে তার ছেলে স্ত্রী—সন্তান নিয়ে নিজ বাড়ি ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি গিয়ে বসবাস করছিলো। মুন্নী বেগমের মা গুলজান বেওয়া জানান, জহুরুলের কারণেই জামাই—মেয়ে আমার বাড়িতে থাকতে শুরু করে। কয়েকদিন আগে আমার মেয়ের স্বামী টাঙ্গাইলে কাজে যায়।

তার অনুপস্থিতিতে সোমবার রাতে জহুরুল পুনরায় আমার মেয়ের কাছে এসে কুপ্রস্তাব দেয়। তার প্রস্তাবে রাজি না হ’য়ায় ধারালো ছুরি দিয়ে মুন্নীকে হত্যা করতে চাইলে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে জহুরুলের বিশেষ অঙ্গ কেটে যায় বলে তিনি দাবি করেন। বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রহিম বলেন, জহুরুল নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিল বলে মুন্নী দাবি করেছে, তদন্তে সঠিক বিষয় বের হয়ে আসবে। জহুরুলের বাবার দায়ের করা মামলায় মুন্নীকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।