পুরুষ পরিচয়ে বিয়ে করার ১০ মাস পর ধরা খেলেন এক নারী

324
এর মধ্যেই মেয়েটি জানতে পারেন, তিনি যাকে বিয়ে করেছেন সে আসলে পুরষ নয়, একজন প্রতারক নারী। গোমর ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি মেয়েটিকে বাড়ির মধ্যে আটকে রাখেন।
এর মধ্যেই মেয়েটি জানতে পারেন, তিনি যাকে বিয়ে করেছেন সে আসলে পুরষ নয়, একজন প্রতারক নারী। গোমর ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি মেয়েটিকে বাড়ির মধ্যে আটকে রাখেন।

অনলাইন ডেটিং ওয়েবসাইট নিয়ে প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। তবে সম্প্রতি তাজ্জব বনে যাওয়ার মতো অভিনব এক প্রতারণার খবর জানা গেলো। অনলাইন ডেটিং ওয়েবসাইটে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত এই প্রতারণার ঘটনা জানলে বিস্ময়ে হতবাক না হয়ে উপায় নেই।

একটি অনলাইন ডেটিং ওয়েবসাইটে নিজেকে একজন পুরুষ চিকিৎসক ও ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার এক নারীর সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক ব্যক্তি। তিন মাস তারা চুটিয়ে প্রেম করেন। একসঙ্গে ঘুরেও বেড়ান। ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করলেও শারীরিক ঘনিষ্ঠতা হয়নি তাদের মধ্যে। এক পর্যায়ে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন নিজেকে চিকিৎসক ও ব্যবসায়ী দাবি করা ছেলেটি। আগপিছ না ভেবে মেয়েটিও রাজি হয়ে যায়।

সম্প্রতি মেয়েটি দাবি করেছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি গোপনে বিয়ে করার প্রস্তাব দিলে কিছু না ভেবে অন্ধ বিশ্বাসে তিনি রাজি হযে যান। শুধু তাই নয়, বিয়ের খরচ বাবদ পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ১৩ লাখ টাকা নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দেন। পরে তাদের বিয়েও হয়।

কিন্তু গোল বাধে বিয়ের পরে। বিয়ের পরেও নানা অযুহাতে টাকা চাইতে থাকেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। একজন ব্যবসায়ী ও চিকিৎসকের যথেষ্ট টাকা-পয়সা থাকার কথা। তারপরও ঘন ঘন নানা টালবাহানায় টাকা চাওয়ায় সন্দেহ দানা বাঁধে মেয়েটির মনে।

দুজনের মধ্যে কলহ শুরু হয়। এর মধ্যেই মেয়েটি জানতে পারেন, তিনি যাকে বিয়ে করেছেন সে আসলে পুরষ নয়, একজন প্রতারক নারী। গোমর ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি মেয়েটিকে বাড়ির মধ্যে আটকে রাখেন।

এদিকে নিখোঁজ মেয়ের সন্ধান না পেয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানান মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রায় দুজনকে পায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। নিজেকে ব্যবসায়ী ও চিকিৎসক পরিচয়দানকারী ব্যক্তিটি ডাক্তারি ডিগ্রি কিংবা ব্যবসায়িক নথিপত্র কিছুই দেখাতে পারেননি।