দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে সিলিং ফ্যানে ঝোলানোয় মায়ের সামনেই ছটফট করে চলে গেলো মেয়ে

0
275
তৃষার মায়ের অভিযোগ, তার ছোট্ট মেয়েটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন তিনি। তার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করেছে একদল নরপশু। শারীরিক নির্যাতন চালিয়েও ক্ষান্ত হয়নি পাষন্ডরা। নিজেদের দোষ ঢাকতে ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে ফেলার জন্য গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে। ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে তারা।
তৃষার মায়ের অভিযোগ, তার ছোট্ট মেয়েটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন তিনি। তার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করেছে একদল নরপশু। শারীরিক নির্যাতন চালিয়েও ক্ষান্ত হয়নি পাষন্ডরা। নিজেদের দোষ ঢাকতে ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে ফেলার জন্য গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে। ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে তারা।
Spread the love

টাঙ্গাইলের বাসাইল শহীদ ক্যাডেট স্কুলের ছাত্রী তৃষা। দ্বিতীয় শ্রেণির গন্ডি না পেরোতেই ভয়াবহ করুণ এক মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাকে।

চোখের সামনে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় ছটফট করা ছোট্ট মেয়েকে দেখে তাকে নামান হতবিহ্বল মা। যক্ষের ধন সন্তানকে নিয়ে ছোটেন হাসপাতালে। তখনও বেঁচে ছিল তৃষা। দুদিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষপর্যন্ত আর ধকল সইতে পারেনি সে। ছোট্ট দেহ থেকে প্রাণপাখিটা উড়ে গেছে। সন্তানহারা হয়েছেন মা।

সম্প্রতি মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক এমন ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামে। তৃষার মায়ের অভিযোগ, তার ছোট্ট মেয়েটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন তিনি। তার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করেছে একদল নরপশু। শারীরিক নির্যাতন চালিয়েও ক্ষান্ত হয়নি পাষন্ডরা। নিজেদের দোষ ঢাকতে ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে ফেলার জন্য গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে। ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে তারা।

মৃত্যুর সময় তৃষার বয়স হয়েছিল মাত্র ৯ বছর। সে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের আবু ভূঁইয়ার মেয়ে। বাসাইল শহীদ ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো ছোট্ট তৃষা। এই ঘটনায় বাসাইল থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, বাইরে থেকে বড় ছেলেকে নিয়ে ঘরে ঢুকতেই সিলিং ফ্যানে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তৃষাকে ঝুলতে দেখেন তার মা। তখনও বেঁচে ছিল ছোট্ট তৃষা। ছটফট করছিল বাঁচার জন্য। সঙ্গে সঙ্গে মেয়েকে নামিয়ে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তার মা।

কিন্তু তৃষার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন চিকিৎসকরা। অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তৃষাকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এভাবে দুুদিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে পাড়ি জমায় তৃষা।