দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে ইবরাহিমের (আ.) দোয়া

98

মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম দুনিয়ার কল্যাণ ও পরকালের মুক্তিতে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন। এ দোয়াগুলো আল্লাহর কাছে এতই পছন্দনীয় ছিল যে, তিনি তা কোরআনুল কারিমে তুলে ধরেছেন। যাতে উম্মতে মুসলিমাহ নিজেদের জন্য এ দোয়াগুলো করতে পারেন। এ দোয়াগুলো কী?

দুনিয়ার কল্যাণ ও পরকালের মুক্তির দোয়াগুলো হলো-

১. رَبِّ هَبۡ لِیۡ حُکۡمًا وَّ اَلۡحِقۡنِیۡ بِالصّٰلِحِیۡنَ

উচ্চারণ : ‘রাব্বি হাবলি হুকমাও ওয়া আলহিক্বনি বিস-সালিহিন।’

অর্থ : ‘হে আমার রব, আমাকে প্রজ্ঞা দান করুন এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের সাথে শামিল করে দিন।’ (সুরা শুআরা : আয়াত ৮৩)

২. وَ اجۡعَلۡ لِّیۡ لِسَانَ صِدۡقٍ فِی الۡاٰخِرِیۡنَ

উচ্চারণ : ‘ওয়াঝআললি লিসানা সিদকিং ফিল আখিরিন।’

অর্থ : ‘আর পরবর্তীদের মধ্যে আমার সুনাম-সুখ্যাতি অব্যাহত রাখুন।’ (সুরা শুআরা : আয়াত ৮৪)

৩. وَ اجۡعَلۡنِیۡ مِنۡ وَّرَثَۃِ جَنَّۃِ النَّعِیۡمِ

উচ্চারণ : ‘ওয়াঝআলনি মিও-ওয়ারাছাতি ঝান্নাতিন নাঈম।’

অর্থ : ‘আর আপনি আমাকে সুখময় জান্নাতের ওয়ারিসদের অন্তর্ভুক্ত করুন।’ (সুরা শুআরা : আয়াত ৮৫)

৪. وَ اغۡفِرۡ لِاَبِیۡۤ 

উচ্চারণ : ‘ওয়াগফির লিআবি’

অর্থ : ‘আর আমার বাবাকে ক্ষমা করুন’ (সুরা শুআরা : আয়াত ৮৬)

৫. وَ لَا تُخۡزِنِیۡ یَوۡمَ یُبۡعَثُوۡنَ

উচ্চারণ : ‘ওয়া লা তুখযিনি ইয়াওমা ইউবআছুন।’

অর্থ : ‘আর যেদিন পুনরায় উঠানো হবে; সেদিন আমাকে লাঞ্ছিত করবেন না।’ (সুরা শুআরা : আয়াত ৮৭)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের অনুসরণ ও অনুকরণে মহান আল্লাহর কাছে নিজেদের দুনিয়ার কল্যাণ ও শান্তি এবং পরকালের মুক্তির জন্য হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের এ দোয়াগুলো বেশি বিশ করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়ার শান্তি ও পরকালের মুক্তির জন্য উল্লেখিত দোয়াগুলো বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।