তিন সপ্তাহের মাথায় ফের করোনায় মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৩, শনাক্তের হার ১০.৮৭%

45
শনাক্তের সংখ্যা বাড়লেও করোনায় মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি এতদিন। কিন্তু তিন সপ্তাহের মাথায় সেই স্বস্তির জায়গায়ও চিড় ধরলো। জানা গেলো করোনায় একজনের মৃত্যুর খবর। দেশে সর্বশেষ গত ৩০ মে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন একজন।
শনাক্তের সংখ্যা বাড়লেও করোনায় মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি এতদিন। কিন্তু তিন সপ্তাহের মাথায় সেই স্বস্তির জায়গায়ও চিড় ধরলো। জানা গেলো করোনায় একজনের মৃত্যুর খবর। দেশে সর্বশেষ গত ৩০ মে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন একজন।

সারাদেশে করোনা পরিস্থিতি জটিল দিকে মোড় নিচ্ছে। অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল দেশের করোনা পরিস্থিতি। দীর্ঘদিন দৈনিক করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচেই ছিল। কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ করেই সারাদেশে বিশেষে করে রাজধানীতে করোনার প্রকোপ বেশ বেড়ে যায়।

শনাক্তের সংখ্যা বাড়লেও করোনায় মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি এতদিন। কিন্তু তিন সপ্তাহের মাথায় সেই স্বস্তির জায়গায়ও চিড় ধরলো। জানা গেলো করোনায় একজনের মৃত্যুর খবর। দেশে সর্বশেষ গত ৩০ মে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন একজন।

দেশে গত কয়েকদিন ধরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা শনাক্তের সংখ্যা, সঙ্গে বাড়ছে শনাক্তের হার। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় ৮৭৩ জন নতুন করে অদৃশ্য ও প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এক লাফে শনাক্তের হারও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০.৮৭ শতাংশে। একদিন আগেই করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৫৯৬ আর শনাক্তের হার ছিল ৭.৩৮ শতাংশ।

সোমবার, ২০ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় একজনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে ২৯ হাজার ১৩২ জনে। অন্যদিকে নতুন ৮৭৩ জনসহ মোট শনাক্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ২০০ জনে।

এদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘন্টায় ৮,০২৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ৮,০৪৬টি। শনাক্তের হার ১০.৮৭ শতাংশ।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯২ জন করোনা রোগী। এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫ হাজার ৮৯৯ জন করোনা রোগী।

এদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, এখন পর্যন্ত দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এক কোটি ৪২ লাখ ৩৩ হাজার ৩২৯টি। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।