Logo
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২ | ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ডালিয়া নির্বাহী প্রকৌশলীর উন্নয়নের ধারায় খুশি এলাকাবাসী

প্রকাশের সময়: ৪:৫০ অপরাহ্ণ - শনিবার | জানুয়ারি ১৫, ২০২২

তৃতীয় মাত্রা
মোহাম্মদ আলী সানু, ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধিঃ অল্প সময়ের মধ্যে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উন্নয়নের স্রোতধারা বাস্তবায়নে যে কাজ করিয়েছেন তা দেখে খুশি এলাকাবাসী।
অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশী আসাফাউদ-দৌলা চলতি ২০২১ সালে আগষ্টে
শোকের মাসে জয়েন করার পরপরেই ১৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ঝুলে থাকা সিলট্রাপ খনন,৩ কোটি টাকা ব্যায়ে অবসরের পুকুর খনন, কমান্ড এরিয়া পূর্ণবাসন প্রকল্প ২২৪ কোটি টাকার আন্ডারে ৪২ টি প্যাকেজ এর  দরপত্রের মাধ্যমে আহবান করেছেন।নির্দিষ্ট সময়ে কাজের সমাপ্তি সহ অন্যান্য কাজের নকশা প্রাক্কলন অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উজানের ঢলে নেমে আসা আর্কস্মিক, স্বরণকালের বৃহত্তর বন্যায়, ক্ষতিগ্রস্থ ও অসহায়  পরিবারদের মাঝে, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ। বন্যায় বাইপাশ রাস্তা,ছোট খাতা বাঁধ ফ্লাইট,২ নং স্পার ভাঙ্গনকবলিত এলাকা জরুরি মেরামতের পদক্ষেপ সহ পুরো ডান তীর বাঁধ শক্তিশালী করার জন্য ডিপিপি প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
এছাড়াও তিনি আসন্ন শেচ মৌসুমী পানি সেচ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্যানেল মেরামতের কাজ হাতে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে কথা হয় ডালিয়া উপ- বিভাগীয় প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরীর সঙ্গে তিনি বলেন বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। উন্নয়নের জোয়ার এ সরকারের আমলেই চলমান আছে। সে প্রেক্ষিতে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডও পিছিয়ে নেই।
এলাকার মানুষ বিশেষ করে  সম্পূর্ণটাই নদীর উপর নির্ভরশীল তাই তিস্তা নদীর পানি এবং সেচের পানির উপরে তারা নির্ভরশীল সে আলোকে ডালিয়ায় ডালিয়ায় উন্নয়নের কাজ সবচেয়ে বেশি চলমান।
ডালিয়া কে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডালিয়া নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদদৌলা বলেন আপনারা জানেন যে, দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা সেচ প্রকল্প।  তাকে ঘিরে আমাদের বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সেচ প্রকল্পের প্রজেক্ট পাশ করে দিয়েছেন এবং সে ব্যাপারে আমাদের একটা অনুশাসন ও দিয়েছেন। আমাদের তিস্তা ব্যারেজের উজানে ১৬ কিলোমিটার ড্রেজিং করার জন্য, কারণ এটি জলাদান নির্মাণের একটা নির্দেশনা রয়েছে। সে জন্য আমরা অলরেডী টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছি ও টেকনিক্যাল রিপোর্ট সাইন হয়েছে। তিস্তা ব্যারাজের উজানে একটা ড্রেজিং হবে। এছাড়া যে ১৩ টি স্পারে গোড়িং রয়েছে এতে শক্তিশালীকরণ কাজ হবে, এবং আমাদের বাঁধ কানেকশনে অনেক ঘরবাড়ি ও বসতবাড়ি গড়ে উঠেছে সেগুলোতে যোগাযোগের জন্য পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হবে। সবসময় পানি পাওয়ার জন্য রিজার বাঁধ ক্ষনন করা হবে।
এ ব্যাপারে আরও কথা হয় ৬ নং নাউতারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার আশিক ইমতিয়াজ মোর্শেদ মণি তিনি বলেন  পূর্বের ধারাবাহিকতায় ডালিয়া প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব আসফাউদদ্দৌলা যোগদানের পর বিশেষ কিছু কাজ করেছেন। ডালিয়ায় দীর্ঘদিন থেকে পড়ে থাকা খেলার মাঠটি চালু করেছেন। আকর্ষিক যে বন্যা চলে আসলো সে বন্যায় দিনরাত পরিশ্রম করে যে দক্ষতা তিনি দেখিয়েছেন সেটি অন্যান্য ডিভিশনে বিরল। এছাড়াও তিনি আরো বলেন নির্বাহী প্রকৌশলী রাত ২ টা ৩ টা পর্যন্ত মাঠে দাঁড়িয়ে থেকে জনগণের দুর্ভোগ এড়াতে বন্যা মোকাবেলায় চেষ্টা করেছেন। ঠিকাদারদের কে সাহস যোগিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। এর পরে ৬৪টি জেলার নদী খাল খনন শীর্ষ প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে ডালিয়ায় দুটি কাজ চলমান রয়েছে যার একটি হল সিলট্রাপ খনন, চারটি পুকুর খনন। তার যে দূরদর্শিতা রয়েছে, উনার মেধা খাটিয়ে ডালিয়া ডিভিশনকে দুর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমরা মনে মনে করি।
এ সময় আরো কথা হয় গোলাম রব্বানী বাবুর সঙ্গে তিনি বলেন বর্তমানে ডালিয়া পাওয়ার বিভাগের প্রকৌশলী জনাব আসফাউদদৌলা  এখানে জয়েন করার পর  অফিস থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত আমরা যেভাবে তাকে পেয়েছি এভাবেই যদি ডালিয়ার নেয়  সব জায়গায় দিকভাল করা হয় তাহলে আমাদের দেশটা আরও এগিয়ে যাবে।
ডালিয়া নির্বাহী প্রকৌশলীর উন্নয়নের ধারায় খুশি এলাকাবাসী
ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধিঃ অল্প সময়ের মধ্যে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উন্নয়নের স্রোতধারা বাস্তবায়নে যে কাজ করিয়েছেন তা দেখে খুশি এলাকাবাসী।
অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশী আসাফাউদ-দৌলা চলতি ২০২১ সালে আগষ্টে
শোকের মাসে জয়েন করার পরপরেই ১৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ঝুলে থাকা সিলট্রাপ খনন,৩ কোটি টাকা ব্যায়ে অবসরের পুকুর খনন, কমান্ড এরিয়া পূর্ণবাসন প্রকল্প ২২৪ কোটি টাকার আন্ডারে ৪২ টি প্যাকেজ এর  দরপত্রের মাধ্যমে আহবান করেছেন।নির্দিষ্ট সময়ে কাজের সমাপ্তি সহ অন্যান্য কাজের নকশা প্রাক্কলন অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উজানের ঢলে নেমে আসা আর্কস্মিক, স্বরণকালের বৃহত্তর বন্যায়, ক্ষতিগ্রস্থ ও অসহায়  পরিবারদের মাঝে, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ। বন্যায় বাইপাশ রাস্তা,ছোট খাতা বাঁধ ফ্লাইট,২ নং স্পার ভাঙ্গনকবলিত এলাকা জরুরি মেরামতের পদক্ষেপ সহ পুরো ডান তীর বাঁধ শক্তিশালী করার জন্য ডিপিপি প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
এছাড়াও তিনি আসন্ন শেচ মৌসুমী পানি সেচ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্যানেল মেরামতের কাজ হাতে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে কথা হয় ডালিয়া উপ- বিভাগীয় প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরীর সঙ্গে তিনি বলেন বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। উন্নয়নের জোয়ার এ সরকারের আমলেই চলমান আছে। সে প্রেক্ষিতে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডও পিছিয়ে নেই।
এলাকার মানুষ বিশেষ করে  সম্পূর্ণটাই নদীর উপর নির্ভরশীল তাই তিস্তা নদীর পানি এবং সেচের পানির উপরে তারা নির্ভরশীল সে আলোকে ডালিয়ায় ডালিয়ায় উন্নয়নের কাজ সবচেয়ে বেশি চলমান।
ডালিয়া কে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডালিয়া নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদদৌলা বলেন আপনারা জানেন যে, দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা সেচ প্রকল্প।  তাকে ঘিরে আমাদের বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সেচ প্রকল্পের প্রজেক্ট পাশ করে দিয়েছেন এবং সে ব্যাপারে আমাদের একটা অনুশাসন ও দিয়েছেন। আমাদের তিস্তা ব্যারেজের উজানে ১৬ কিলোমিটার ড্রেজিং করার জন্য, কারণ এটি জলাদান নির্মাণের একটা নির্দেশনা রয়েছে। সে জন্য আমরা অলরেডী টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছি ও টেকনিক্যাল রিপোর্ট সাইন হয়েছে। তিস্তা ব্যারাজের উজানে একটা ড্রেজিং হবে। এছাড়া যে ১৩ টি স্পারে গোড়িং রয়েছে এতে শক্তিশালীকরণ কাজ হবে, এবং আমাদের বাঁধ কানেকশনে অনেক ঘরবাড়ি ও বসতবাড়ি গড়ে উঠেছে সেগুলোতে যোগাযোগের জন্য পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হবে। সবসময় পানি পাওয়ার জন্য রিজার বাঁধ ক্ষনন করা হবে।
এ ব্যাপারে আরও কথা হয় ৬ নং নাউতারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার আশিক ইমতিয়াজ মোর্শেদ মণি তিনি বলেন  পূর্বের ধারাবাহিকতায় ডালিয়া প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব আসফাউদদ্দৌলা যোগদানের পর বিশেষ কিছু কাজ করেছেন। ডালিয়ায় দীর্ঘদিন থেকে পড়ে থাকা খেলার মাঠটি চালু করেছেন। আকর্ষিক যে বন্যা চলে আসলো সে বন্যায় দিনরাত পরিশ্রম করে যে দক্ষতা তিনি দেখিয়েছেন সেটি অন্যান্য ডিভিশনে বিরল। এছাড়াও তিনি আরো বলেন নির্বাহী প্রকৌশলী রাত ২ টা ৩ টা পর্যন্ত মাঠে দাঁড়িয়ে থেকে জনগণের দুর্ভোগ এড়াতে বন্যা মোকাবেলায় চেষ্টা করেছেন। ঠিকাদারদের কে সাহস যোগিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। এর পরে ৬৪টি জেলার নদী খাল খনন শীর্ষ প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে ডালিয়ায় দুটি কাজ চলমান রয়েছে যার একটি হল সিলট্রাপ খনন, চারটি পুকুর খনন। তার যে দূরদর্শিতা রয়েছে, উনার মেধা খাটিয়ে ডালিয়া ডিভিশনকে দুর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমরা মনে মনে করি।
এ সময় আরো কথা হয় গোলাম রব্বানী বাবুর সঙ্গে তিনি বলেন বর্তমানে ডালিয়া পাওয়ার বিভাগের প্রকৌশলী জনাব আসফাউদদৌলা  এখানে জয়েন করার পর  অফিস থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত আমরা যেভাবে তাকে পেয়েছি এভাবেই যদি ডালিয়ার নেয়  সব জায়গায় দিকভাল করা হয় তাহলে আমাদের দেশটা আরও এগিয়ে যাবে।
Read previous post:
নাটোরে শীতবস্ত্র বিতরণ

তৃতীয় মাত্রা আফরোজা ইয়াসমিন, নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোরে শীতবস্ত্র কম্বল  বিতরণ করা হয়েছে। জানা যায় গতকাল সকাল  ১০  ঘটিকায়...

Close

উপরে