চলনবিল অঞ্চলে নৌকা তৈরি ও বেচাকেনার ধুম

55
চলনবিল অঞ্চলে নৌকা তৈরি ও বেচাকেনার ধুম
চলনবিল অঞ্চলে নৌকা তৈরি ও বেচাকেনার ধুম

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধিঃ উজান থেকে নেমে আসা পানি আর ক’দিনের বর্ষনে পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের নদ-নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। জনপদে পানি ঢুকে পড়ায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এ অবস্থায় এ অঞ্চলের মানুষের চলাচল ও মাছ ধরার মাধ্যম ডিঙি নৌকা তৈরি ও বিক্রির ধূম পড়েছে।

বর্ষার আগমণকে ঘিরে নৌকা তৈরির কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলায় কারিগররা কারখানায় নৌকা তৈরি করছেন। বিভিন্ন হাটে নৌকা বিক্রি চলছে।

নৌকা বেচাকেনায় নিয়োজিত ব্যবসায়ী ও মিস্ত্রিরা জানান, বর্ষা মৌসুমে চলনবিল অঞ্চলের অন্যতম বাহন এই ডিঙি নৌকা। এক পাড়া থেকে অন্যপাড়া যেতে এই নৌকার কোন বিকল্প নেই। নৌকা তৈরির কারিগর আসলাম হোসেন, সুধির হলদারসহ অন্যরা জানালেন, ১২-১৫ হাত একটি নৌকা তৈরি করতে খরচ হয় ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

১০-১২ হাত নৌকা তৈরি করতে খরচ হয় আড়াই হাজার টাকা। প্রতিটি নৌকা ৫০০-৬০০ টাকা লাভে বিক্রি করা হয়। চাটমোহরের নিমাইচড়া গ্রামের আসাদুজ্জামান জানালেন, এ বছর বন্যার প্রাদুর্ভাব বেশি বলে মনে হচ্ছে। তাই হাট থেকে ডিঙি নৌকা কিনেছি। পানি এসে গেছে, যেভাবে পানি বাড়ছে,রনৌকা ছাড়া কোন উপায় নেই। নৌকার কারিগররা জানালেন,রএবার নৌকার চাহিদা বেড়েছে। নৌকা তৈরির কাঠসহ উপকরণের দাম এবার বেশি, তাই দামও বেশি।

চলনবিল অঞ্চলের বিভিন্ন হাটে নৌকা বেচাকেনার ধূম পড়েছে বলে জানালেন ছাইকোলা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুরু। কারণ বর্ষাকালে নৌকার কোন বিকল্প নেই।