গাইবান্ধায় ব্যাগভর্তি শসা ৫ টাকা, ৮০-১০০ টাকা মণ

55
গাইবান্ধার বাজারে পলিথিনের এক ব্যাগ শসা বিক্রয় হচ্ছে মাত্র ৫ টাকায়। পাইকারি বাজারে প্রতি মণ শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। গাইবান্ধার কাঁচাবাজারে পলিথিনের ব্যাগ হাতে বিক্রেতারা হাঁক দিচ্ছেন ব্যাগভর্তি শসা ৫ টাকা।
গাইবান্ধার বাজারে পলিথিনের এক ব্যাগ শসা বিক্রয় হচ্ছে মাত্র ৫ টাকায়। পাইকারি বাজারে প্রতি মণ শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। গাইবান্ধার কাঁচাবাজারে পলিথিনের ব্যাগ হাতে বিক্রেতারা হাঁক দিচ্ছেন ব্যাগভর্তি শসা ৫ টাকা।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার বাজারে এক কেজি নয়, পলিথিনের এক ব্যাগ শসা বিক্রয় হচ্ছে মাত্র ৫ টাকায়। মধ্যসত্ত্বভোগীদের কারণে ভালো শসাও বিক্রয় হচ্ছে ২ থেকে ৩ টাকা কেজিতে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে প্রতি মণ শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। গাইবান্ধার কাঁচাবাজারে পলিথিনের ব্যাগ হাতে বিক্রেতারা হাঁক দিচ্ছেন ব্যাগভর্তি শসা ৫ টাকা।

গাইবান্ধার বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে শসা। সঠিক বাজারদর ভালো না পাওয়ায় চলতি মৌসুমে লাভ তো দুরের, লোকসান গুণতে হচ্ছে গাইবান্ধার শসা চাষিদের।

গাইবান্ধা কৃষি বিভাগ জানায়, গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ,পলাশবাড়ি, গোবিন্দগঞ্জ ও সাদুল্লাপুর উপজেলায় শসার চাষ হয়। চলতি মৌসুমে গাইবান্ধায় প্রায় ৩শত হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে।

সাদুল্লাপুরের খামারপাড়া গ্রামের আব্দুল ওয়ারেস বলেন, সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট, ইদিলপুর, ভাতগ্রাম, খোর্দ্দকোমরপুর, ফরিদপুর ইউনিয়নে শসা চাষ বেশী হয়। এলাকার চাহিদা মিটিয়েও প্রতি বছর শসা দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রেরণ করা হয়। লাভের আশায় অনেক চাষি শসা চাষে ঝুঁকে পড়েছে। সার কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ নির্বাহ করে লাভের টাকায় অনেক কৃষক স্বাবলম্বী হয়েছে। তবে এবার লাভের পরিবর্তে হচ্ছে ক্ষতি। ব্যবসায়ীগণ সুযোগ বুঝে কম দামে কৃষকদের কাছে শসা ক্রয় করে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বেলাল হোসেন বলেন, সাদুল্লাপুর উপজেলায় শসার উৎপাদন ভালো হয়েছে। প্রথম দিকে কৃষকরা ভালো দাম পেলেও এখন বাজার মন্দা।