কিশোরী ছাত্রী ও নাবালক ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

431
১৭ বছর বয়সী কিশোরী ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া হাইস্কুলের একজন সঙ্গীত শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এক নাবালক ছাত্রের সঙ্গেও অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে বিকৃতরুচির ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।
১৭ বছর বয়সী কিশোরী ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া হাইস্কুলের একজন সঙ্গীত শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এক নাবালক ছাত্রের সঙ্গেও অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে বিকৃতরুচির ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।

১৭ বছর বয়সী কিশোরী ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া হাইস্কুলের একজন সঙ্গীত শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এক নাবালক ছাত্রের সঙ্গেও অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে বিকৃতরুচির ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। তার কুকীর্তির কথা ফাঁস করে দিয়েছেন তারই স্বামী।

গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষিকার নাম অলিভিয়া লোইস অর্টজ (২৬)। তার স্বামী কোডি অর্টজ। স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজ বাসায় নিজের ছাত্রীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে অলিভিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি শুধু কিশোরী ছাত্রীই নয়, এক নাবালক ছাত্রের সঙ্গেও অনৈতিক সম্পর্কে জড়ান।

গ্রেপ্তারকৃত অলিভিয়ার স্বামী কোডি অর্টজ ফ্লোরিডায় ভ্রমণে গিয়েছিলেন। ভ্রমণ থেকে ফিরে আসার পর স্ত্রীর আইপ্যাডে অপরাধমূলক বিভিন্ন বার্তা আদান-প্রদান দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিজের স্ত্রীর কুকর্মের কথা ফাঁস করে দেন কোডি অর্টজ।

স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানানোর পর ঘটনাটি জানাজানি হয়। বরখাস্ত করা হয় অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে। পুলিশকেও জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।

ঘটনার তদন্ত পরিচালনা করে নিউ উইলমিংটন পুলিশ। তদন্তে মিউজিক স্ট্রিমিং পরিষেবা স্পটিফাইয়ের চ্যাট ফাংশনে মিসেস অর্টজ এবং কিশোরী ছাত্রীর মধ্যে আদান-প্রদানকৃত শতাধিক বার্তা খুঁজে পায় পুলিশ। তদন্ত রিপোর্টে সেগুলোকে অপরাধমূলক বার্তা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সোমবার, ১৬ মে কিশোরী ও তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। সেসময় কিশোরী স্বীকার করেন যে, তিনি বেশ কয়েকবার মিসেস অর্টজের বাড়িতে গেছেন। সেসময় মিসেস অর্টজের স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। এমনকি শিক্ষিকার সঙ্গে রাত্রিযাপনের কথাও স্বীকার করেছেন ওই কিশোরী। শুধু তাই নয়, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর তদন্তু শুরু হওয়ার পরও তাদের যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।