করোনায় বাড়ছে সুন্দরগঞ্জে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম

105
করোনায় বাড়ছে সুন্দরগঞ্জে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম
করোনায় বাড়ছে সুন্দরগঞ্জে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম

আঃ মতিন সরকার , গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ চলছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। ইতিমধ্যে সরকার কিছু বিধি নিষেধ জারি করেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মহল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কাঁচা বাজারসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম এখন বাড়তির পথে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বেশকিছু সংখ্যক দ্রব্যাদির দাম বেড়ে গেছে।

প্রশাসনের নিকট সাধারন ক্রেতাগণ বাজার মনিটরিং করার দাবি জানিয়েছেন। বিভিন্ন হাট—বাজারে খোজ নিয়ে জানা গেছে, ভরা মৌসুমেও সবজির দাম অনেকটা বাড়তি। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ হতে ৩৫ টাকা, বেগুন ৩০—৫০ টাকা, কপি ৩০—৪০ টাকা, সিম ৩০—৫০ টাকা, গাঁজর ৪০—৫০ টাকা, টমেটে ৩০ হতে ৫০ টাকা, শশা ৪০—৫০ টাকা, মরিচ ৪০—৫০ টাকা. পিয়াচ ৩৫—৫০ টাকা, রসুন ৫০—৬০টাকা, আদা ১০০ হতে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সাধারন ক্রেতা এবং ব্যবসায়ীদের দাবি ভরা মৌসুমে প্রতিটি দ্রব্যের দাম এত হওয়ার কথা নয়। সুন্দরগঞ্জ বাজারের আসা ক্রেতা অজিত কুমার রায় জানান, বিগত দিনে দেখেছি ভরা মৌসুমে আলু, বেগুন, মরিচ, পিয়াচসহ বিভিন্ন দ্রব্যের দাম এত ছিল না। এর কারন করোনার প্রভাব। এছাড়া তিনি বাজার মনিটরিং করার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল হাই জানান, মৌসুমের সময় প্রতিটি জিনিসের দাম আরও কম হওয়ার কথা। কিন্তু বেশি দামে কেনার কারনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বেলকা চরের কৃষক মফিদুল ইসলাম মন্ডল জানান, দিনমজুর, সার, হালচাষ, কীর্টনাশকের দাম দ্বিগুন হাবে বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। সে কারনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশিদুল কবির জানান, আগের চেয়ে উৎপাদন খরচ একটু বেড়ে গেছে। সে কারনে কৃষকরা লোকসান না গুনতে একটু চড়া দামে দ্রব্যাদি বিক্রি করছে। উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, অতিদ্রুত বাজার মনিটরিং করার ব্যববস্থা করা হবে।