আক্কেলপুরে ট্রাক থেকে মাটি পড়ে পাঁকা সড়কে কাদা, জনদূর্ভোগ!

50

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি : জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে চলমান ট্রাক থেমে মাটি পড়ে বৃষ্টির পানিতে তৈরি হয়েছে কাদা। এতে দূর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় লোকজন। কাদার কারনে সড়ক গুলো দিয়ে যানবাহন তো দুরের কথা পায়ে হেঁটেও চলা দায় হয়ে পড়েছে।

পৌরসদরের মেইন রোডের এক কিলোমিটার, রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে শ্রীরামপুর সড়কের আধা কিলোমিটার, বিহারপুর থেকে আওয়ালগাড়ি সড়কের দের কিলোমিটার সড়কে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনের পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দারা শহরের বাহির থেকে মাটি ট্রাকে করে আনছেন। চলমান সেই ট্রাক গুলো থেকে মাটি পড়ছে সড়ক গুলোতে। বৃষ্টিতে রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে হাস্তাবসন্তপুর গ্রামের রেল গেট পর্যন্ত সড়কে বৃষ্টির পানিতে কাদার সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির উপরে কাদার কারনে অনেক যানবাহন পিছলে সড়ক থেকে নিচে নেমে যেতে দেখা গেছে। একই চিত্র পৌরসদরের মেইন সড়কে। বৃষ্টিতে পুরো শহর জুরে সড়কে কাদার সৃষ্টি হয়েছে। কাদার কারণে যান চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষত দূর্ভোগের মুখে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকেরা। দূর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন।

মোটরসাইকেল চালক পিন্টু হোসেন বলেন, সকালে রেল ষ্টেশন থেকে শ্রীরামপুরের দিকে যাওয়ার সড়কটির উপরে এতো পরিমাণ কাদা যে মোটরসাইকেল থেকে নেমে হেঁটেও যাওয়ার মতো কোন অবস্থা নেই।

শ্যালো ইঞ্জিল চালিত ভটভটি চালক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমার গাড়িতে চড়ে কয়েকজন গৃহ নির্মাণ শ্রমিক ও তাঁদের গাড়ি নিয়ে শ্রীরামপুরের দিকে যাচ্ছিলাম। পথে হাস্তাবসন্তপুর গ্রামের এলাকায় সড়কের উপরে কাদার করনে আমার গাড়ি পিছলে সড়ক থেকে নিচে নেমে যায়। অনেক কষ্টে লোকজনের সহযোগীতায় সেই গাড়ি উপরে তুলতে পেরেছি। আসলে জনগণের দূর্ভোগের চিন্তা এখন আর কেউ করে না।

ভ্যান চালক আবুল মীয়া বলেন, পৌর সদরের মেইন সড়কের উপরে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পুরো সড়ক জুরে কাদার আস্তর জমে ছিল। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়েছে।

আক্কেলপুর পৌরসভার মেয়র শহিদুল আলম চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। রাতে বৃষ্টি হওয়ার কারনে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আমি লোক দিয়ে কাদা সড়ানোর ব্যবস্থা করেছি।

উপজেলা প্রেকৌশলী বলেন রকিব হাসান বলেন, অসলে কারা মাটি নিয়ে যাচ্ছে সেটি আমরা জানতে পারছি না। ট্রাকে মাটি নিয়ে যাওয়ার সময় সেই মাটি সড়কে পড়ছে। বৃষ্টি এলেই সেখানে কাদা হচ্ছে। আসলে মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে এটি রোধ করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। তার পরেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে এলাকায় মাইকিংয়ের ব্যবস্তা করব।