Logo
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৯ | ১০ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ছয় প্রতিষ্ঠানের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

প্রকাশের সময়: ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ - সোমবার | এপ্রিল ১৫, ২০১৯

তৃতীয় মাত্রা :

পরিচালনা পর্ষদের সভার তারিখ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরো ছয় কোম্পানি। সভায় ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফলসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হবে।

এভিন্স টেক্সটাইলস লিমিটেড

এভিন্স টেক্সটাইলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা ১৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি চলতি হিসাব বছরের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা করা হবে।

২০১৮ সালের ১ জুলাই শুরু হওয়া চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এভিন্স টেক্সটাইলসের সম্মিলিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭০ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭৯ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিতভাবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ১৪ পয়সা।

২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি এভিন্স টেক্সটাইলসের পরিচালনা পর্ষদ। ফলে কোম্পানিটিকে ‘এ’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। গত হিসাব বছরে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা। এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৪৪ পয়সা।

২০১৭ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় এভিন্স টেক্সটাইলস। এছাড়া ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার এভিন্স টেক্সটাইল শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ১১ টাকা ৮০ পয়সা। সমাপনী দর ছিল ১১ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৯ টাকা ও ১৮ টাকা ৭০ পয়সা।

নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড

চলতি হিসাব বছরের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফলসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনার জন্য ১৬ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড।

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৯ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৬ টাকা ৪৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ৯ টাকা ৬ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩ টাকা ৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৮ টাকা ১৩ পয়সা।

২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি পাট খাতের স্বল্প মূলধনি কোম্পানিটি। এতে কোম্পানিটিকে ‘এ’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৭ টাকা ১৫ পয়সা। এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ৪ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ হারে নগদ ও স্টক লভ্যাংশ দেয় নর্দান জুট। এ সময়ে কোম্পানির বার্ষিক ইপিএস ছিল ৫ টাকা ১৩ পয়সা।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার নর্দান জুট শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ১ হাজার ২৫৬ টাকা। সমাপনী দর ছিল ১ হাজার ২৭৪ টাকা ৬০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২৪৫ টাকা ও ১ হাজার ৪৮৯ টাকা ৮০ পয়সা।

শমরিতা হসপিটাল লিমিটেড

শমরিতা হসপিটাল লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা ১৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি চলতি হিসাব বছরের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা করা হবে।

২০১৮ সালের ১ জুলাই শুরু হওয়া চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) শমরিতা হসপিটালের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৫২ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৭৬ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে শমরিতা হসপিটাল। আলোচ্য সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩১ পয়সা। এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৯৫ পয়সা। এর আগে ২০১৭ ও ২০১৬ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ হারে নগদ ও স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। ২০১৫ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারহোল্ডাররা।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার সর্বশেষ ৬৬ টাকা ৫০ পয়সায় শমরিতা হসপিটালের শেয়ার হাতবদল হয়। সমাপনী দর ছিল ৬৬ টাকা ৩০ পয়সা। গত এক বছরে এ শেয়ারের দর ৬৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৮৫ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেড

দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা ১৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। সভায় চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফলসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করা হবে।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) সিটি ব্যাংকের সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৭৯ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকের সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৮৯ পয়সা।

২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৯ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে সিটি ব্যাংক। সে বছর ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৯০ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৬৪ পয়সা। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৮ টাকা ৪০ পয়সা। ২০১৬ হিসাব বছরে ২৪ শতাংশ ও ২০১৫ হিসাব বছরে ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার সিটি ব্যাংক শেয়ারের সর্বশেষ দর ৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ বা ৮০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৬০ পয়সা। সমাপনী দর ছিল ২৪ টাকা ৩০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২৩ টাকা ৬০ পয়সা ও ৪২ টাকা ১০ পয়সা।

সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড

সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পর্ষদ সভা ১৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করা হবে।

সমাপ্ত হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৩৫ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৩১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ১০ পয়সা।

সিপিএ (ক্লেইম পেয়িং অ্যাবিলিটি) রেটিংয়ে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের সর্বশেষ অবস্থান ‘এ প্লাস’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল ও আনুষঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।

২০১৭ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয় সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। সে বছর ইপিএস ছিল ১ টাকা ১১ পয়সা। এছাড়া ২০১৬ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ এবং ২০১৫ ও ২০১৪ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার পেয়েছিলেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ শেয়ারদর ছিল ১৫ টাকা ৩০ পয়সা। সমাপনী দর ছিল ১৫ টাকা ১০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১২ টাকা ও ২৪ টাকা ৩০ পয়সা।

যমুনা ব্যাংক লিমিটেড

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য ২১ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংক।

সমাপ্ত হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৪ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৭২ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকের এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৩ টাকা ২৩ পয়সা।

২০১৭ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে ২২ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে যমুনা ব্যাংক। সে বছর ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা। তার আগে ২০১৬ হিসাব বছরে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ ও ২০১৫ হিসাব বছরে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার যমুনা ব্যাংক শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ১৬ টাকা ৭০ পয়সা। সমাপনী দর ছিল ১৬ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১৩ টাকা ৬০ পয়সা ও ২১ টাকা ৮০ পয়সা।

Read previous post:
ইউসিবি কার্ডগ্রহীতাদের জন্য ব্যাংকক হসপিটালে বিশেষ সুবিধা

তৃতীয় মাত্রা : ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবি) সম্প্রতি ব্যাংকক হসপিটালের বাংলাদেশ লিয়াজোঁ অফিস লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেডের সঙ্গে একটি...

Close

উপরে