Logo
মঙ্গলবার, ১৯ জুন, ২০১৮ | ৫ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

খুচরা বাজারে এখনো স্বস্তি মিলেনি

প্রকাশের সময়: ৩:৫৩ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৭

তৃতীয়মাত্রা :

ঈদের পর টানা কয়েকদিন বেড়েছে চালের দাম। হঠাৎ এমন দাম বাড়ায় বাজারে তৈরি হয় অস্থিরতা। মোটা চালের দাম ৫০ টাকা ছাড়িয়ে রেকর্ড গড়ে। একইভাবে ভালোমানের চালের দাম ৭০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। চালের অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের দফায় দফায় বৈঠকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারে চালের দাম কমছে। তবে এখনো খুচরা বাজারে পুরোপুরি স্বস্তি আসেনি। যে চালের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছিল তা এ পর্যন্ত কমেছে দুই থেকে তিন টাকা। কোনো কোনো বাজারে চার থেকে পাঁচ টাকাও কমেছে। তবে বাড়তি দাম পুরোটা কবে কমবে এর কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। ওদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, মোকামে অর্ডার দেয়া নতুন চাল খুচরা বাজারে আসতে শুরু করেছে। তাই আস্তে আস্তে দাম কমছে। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি মোটা ইরি/স্বর্ণা ৪৫ টাকা, পাইজাম/লতা ৫০ টাকা, মিনিকেট ৫৬ থেকে ৫৮ টাকায় বিক্রি হয়, যা কেজিতে চালভেদে ৫ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত কম।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পরিসংখ্যানে গত এক বছরের ব্যবধানে মোটা চালের দাম বেড়েছে ২৭ শতাংশ। বছর ভিত্তিতে টিসিবি দেখিয়েছে এক বছর আগে এ চালের কেজিপ্রতি দাম ছিল ৩৬ থেকে ৩৮ টাকা। আর বাজারে বর্তমানে এ চালের দাম কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৫০ টাকা দরে। সংস্থাটির হিসাবে গত এক সপ্তাহে মোটা চাল কেজিতে কমেছে ২ টাকা। ঢাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভালো মানের নাজির ও মিনিকেট চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৬৮ টাকা কেজি। মাঝারি মানের চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৭-৫৯ টাকায়। কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকায়। কোনো কোনো দোকানিকে এখনো ৪৯ টাকায় এই চাল বিক্রি করতে দেখা গেছে। কারওয়ান বাজার, সেগুনবাগিচাসহ কয়েকটি বাজারের বেশিরভাগ দোকানেই এই চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকা দরে। বি.আর আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগে ৫৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারের সজীব রাইস এজেন্সির মালিক সজীব বলেন, মোটা চাল এখন বিক্রি করছি ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা কেজিতে। আগে এই মানের চাল বিক্রি করেছি ৫০ টাকায়। এছাড়া সরু চাল বিক্রি করছি ৫৭ থেকে ৫৯ টাকায়। আগে এই মানের চাল বিক্রি করেছি ৬০ থেকে ৬২ টাকায়। তিনি বলেন, মোটা চালের দাম বেশি কমেছে। এই মানের চাল কেজিতে কমেছে ৫ টাকা। আর সরু চালের দাম কমেছে কেজিতে ৩ টাকা। তবে কেউ এক বস্তা নিলে তখন দাম আরো কমানো হয়। কাওরান বাজারে চাল কিনতে আসা ক্রেতা মহিবুল হক বলেন, ঈদের পর এক লাফে চালের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। কিন্তু এই কয়দিনে কমেছে তিন থেকে চার টাকা। এখনও বাড়তি দাম দিয়ে চাল কিনতে হচ্ছে। এটি সীমিত আয়ের মানুষের জন্য কষ্টকর। একই বাজারে আসা ক্রেতা শামসুল হক বলেন, আগে ৫৫ টাকায় মিনিকেট চাল কিনতাম। এখন কিনছি ৬০ থেকে ৬২ টাকায়। আগের দামে আর কেনা যাবে কি-না তাতো বলা যাচ্ছে না।
বাবু বাজারের মেসার্স উৎসব ভাণ্ডারের মালিক ফারুকুল ইসলাম বলেন, চালের দাম কমার পর ক্রেতা অনেক কমে গেছে। মোটা চালের বস্তা এখন ২০০০ থেকে ২১০০ টাকা। সেই হিসাবে কেজিতে এই চালের দাম পড়ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা। আর চিকন চালের (ভালো মানের) বস্তা এখন ২৮০০ থেকে ২৯০০ টাকা। সেই হিসাবে কেজিতে এই চালের দাম পড়ছে ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Read previous post:
পাঁজর ভেঙ্গে গেছ আগুয়েরোর

তৃতীয়মাত্রা : সড়ক দুর্ঘটনায় আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলার সার্জিও আগুয়েরোর পাঁজর ভেঙে গেছে। ফলে পেরু ও ইকুয়েডরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শেষ দুটি...

Close

উপরে