Logo
শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ | ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

২১ আগস্টের নৃশংস গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষনা

প্রকাশের সময়: ২:২৭ অপরাহ্ণ - বুধবার | অক্টোবর ১০, ২০১৮

 

 

তৃতীয় মাত্রা

 

ইতিহাসে ২১ আগস্টের নারকীয় গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন ও বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুর ১২টায় এই রায় ঘোষণা হয়েছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

ঢাকার এক নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন বেলা ১২টায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে করা আলোচিত দুই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

এ রায় ঘিরে সকাল থেকেই নাজিমউদ্দিন রোড ও আশপাশের এলাকায় নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।

রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, রেজ্জাকুল হায়দার, রহিম শাহ, জান্দাল, তাজউদ্দিন প্রমুখসহ মোট ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একই মামলায় তারেক রহমানসহ ১৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, বুধবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে মাইক্রোবাস ও প্রিজন ভ্যানে চড়িয়ে আসামীদের আদালতে আনা হয়।

এছাড়া, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় পলাতক ১৮ জন আসামির মধ্যে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন লন্ডনে অবস্থান করছেন। মামলাটিতে কারাবন্দি সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন আহমেদ ও আরেক ভাই বাবু ওরফে রাতুল বাবু বর্তমানে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। দুই ভাইয়ের মধ্যে তাজউদ্দিন আহমেদকে দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সাবেক বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য কাজী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ আছেন সৌদি আরবে এবং হারিস চৌধুরী বিভিন্ন সময় যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পালিয়ে থাকছেন। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় আছেন, সে সম্পর্কে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। এ ছাড়া আসামি মো. হানিফ পলাতক রয়েছেন, তার অবস্থানও নিশ্চিত করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

মামলার আসামি দুজন সরকারি কর্মকর্তা সাবেক মেজর জেনারেল এটিএম আমিন এবং সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার এখন দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।

ভারতের তিহার জেলে রয়েছেন দুই ভাই মহিবুল মুক্তাকিন ও আনিসুল মুরসালিন। এ ছাড়া হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, মো. ইকবাল, খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বদর, মাওলানা লিটন ওরফে জোবায়ের ওরফে দেলোয়ার, ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান এবং ডিসি (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসানও পলাতক রয়েছেন। তবে তারা দেশেই আছেন বলে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে।

অন্য আসামিদের মধ্যে হরকাতুল জিহাদ নেতা শফিকুর রহমান, আব্দুল হাই, দেলোয়ার হোসেন জোবায়ের ওরফে লিটন, খলিলুর রহমান ও ইকবাল এবং পুলিশ কর্মকর্তা খান সাঈদ হাসান ও ওবায়দুর রহমান কোথায় আছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।

সর্বমটে ৫২ আসামির মধ্যে ৩জনের ইতোমধ্যেই অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামি ৪৯ জন।

ইতিহাসের র্ববরোচিত এই হামলার অর্থের জোগান ও প্রশাসনিক সহায়তায় ছিল চার-দলীয় জোট তথা বিএনপি-জামায়াত সরকার।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান জানিয়েছেন, অপরাধ জগতের ইতিহাসে গ্রেনেড হামলার ঘটনা একটি জঘন্যতম অপরাধ। অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ‘হালকা নাস্তার (অপরাধীর দেয়া সাংকেতিক নাম)’ নামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ২৪ জনকে হত্যা করার অপরাধ কেন্দ্র করে দুটি মামলা হয়। একটি হত্যা ও অন্যটি বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলা। জজ মিয়া নাটক সাজিয়ে দুটি মামলাই তদন্তে ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলা অধিকতর তদন্তে যায়।

এ দুটি মামলায় একজনকেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আসামি করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। রেজাউর রহমান বলেন, সারা দেশের বিচারপ্রার্থী মানুষ এ রায়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আইনের বিধান অনুযায়ী আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করছি। ২২৫ সাক্ষীর মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহের ঊর্ধ্বে থেকে প্রমাণে সক্ষম হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

অন্যদিকে আসামিপক্ষে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং সাবেক দুই আইজিপি- মো. আশরাফুল হুদা ও শহুদুল হকের আইনজীবী এম নজরুল ইসলাম  বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির মাধ্যমে আসামি করা হয়েছে।

কিন্তু মুফতি হান্নানের সেই জবানবন্দি সঠিক মর্মে প্রমাণ হয়নি। এ দুজনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ প্রমাণ হয়নি। প্রথম দফায় দাখিল করা চার্জশিটে ওই ৩ জন আসামি ছিলেন না। সম্পূরক চার্জশিটে ওই তিনজনকেই আসামি করা হয়েছে। নির্দোষ দাবি করে আসামিরা বেকসুর খালাস পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার সম্পূরক চার্জশিটে (অভিযোগপত্র) বলা হয়েছে, তৎকালীন চার-দলীয় জোট সরকারের শীর্ষপর্যায়ের ইন্ধনে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশসহ (হুজি) তিনটি জঙ্গি সংগঠন ওই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় ইতিহাসের ভয়াবহতম নৃশংস ও বর্বরোচিত ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি এ মামলায় সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে রাষ্ট্রপক্ষ। ৪৯২ সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষে ২২৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। আর আসামিপক্ষে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলায় ১৪৪ আলামত ও ৫৫টি বস্তু প্রদর্শন করা হয়েছে। গত বছরের ৩০ মে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হয়। আর গত বছরের ১২ জুন মামলায় ৩১ আসামির আত্মপক্ষ শুনানি শেষ হয়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও আনসার-ভিডিপির সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিনসহ ১৮ আসামি পলাতক থাকায় তারা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাননি।

পলাতক আসামিদের মধ্যে ১৪ জনের পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আইনজীবী নিযুক্ত করা হয়।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট নজীরবিহীন গ্রেনেড হামলার ঘটনায় আনা পৃথক মামলার বিচার শেষ হয় গত ১৮ সেপ্টেম্বর। রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে একুশে আগস্টের ওই ঘটনায় আনা পৃথক মামলায় একই সঙ্গে বিচার অনুষ্টিত হয়।

ভয়াবহ, পৈশাচিক, নারকীয় ও বর্বরোচিত এই গ্রেনেড হামলার বিচারের জন্য দেশবাসীর প্রতীক্ষার অবসান হবে এই রায় ঘোষণার মাধ্যমে। ওই ঘৃণ্য হামলার পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিলল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হয়। আহত হয় ৫ শতাধিক। আসামিদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর অন্যতম। সরকারি মদদে মামলা ভিন্নখাতে নেয়া, তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণের সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে রায় হতে যাচ্ছে জঘন্যতম বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার। অনেক আহত এখনো শরীরে স্প্রিন্টার নিয়ে ব্যথায় কাতরাচ্ছেন। আজও চোখের পানি ফেলে নিহতদের স্বজনরা। বিচারের জন্য তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে কাল।

রাষ্ট্রপক্ষে প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সন্দেহের উর্ধ্বে থেকে আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পেরেছে বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য ২১ আগষ্ট হামলা ইতিহাসের সবচাইতে নৃশংস, জঘন্যতম ও বর্বরোচিত হামলা। নিরস্ত্র মানুষের ওপর আর্জেস গ্রেনেডের মতো সমরাস্ত্র ব্যবহার এ উপমহাদেশে আর নেই। তারা এ হামলার সাফল্যের মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল।

সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, “আমাদের প্রত্যাশা আইন অনুযায়ি আসামীদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড হবে।”

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘বুধবার (আগামীকাল) রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য রয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করি ওই দিনই এই মামলার বিচারের প্রতীক্ষার অবসান হবে।’ তিনি আরো বলেন, ক্ষমতার ছত্রছায়ায় হাওয়া ভবনে জননেত্রী শেখ হাসিনার ওপর হামলার ষড়যন্ত্র হয়। চালানো হয় নারকীয় হামলা। এমন নারকীয় ঘটনা বিশ্বের কোথাও ঘটেনি। ক্ষমতায় থেকে বিরোধীদলীয় নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা কেউ ভাবতেও পারে না।

অপরদিকে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলগণ খালাস পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

২১ আগষ্টের ঘটনায় পৃথক মামলায় মোট আসামীর সংখ্যা ৫২ জন। এর মধ্যে ৩ জন আসামীর অন্য মামলায় মৃত্যুদন্ড কার্যকর হওয়ায় তাদেরকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। ৩ আসামী হলেন- জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ সাহেদুল আলম বিপুল। এখন ৪৯ আসামীর বিচার অনুষ্টিত হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জঙ্গি তাজউদ্দিনসহ এখনো ১৮ জন পলাতক। বিএনপি নেতা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ২৩ জন কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যে ওই ঘটনায় হত্যা, হত্যা চেষ্টা, ষড়যন্ত্র, ঘটনায় সহায়তাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একটি মামলা যাতে বর্তমানে আসামী সংখ্যা মোট ৪৯ জন।
একই ঘটনায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে (সংশোধনী-২০০২) অপর একটি মামলায় আসামী সংখ্যা ৩৮জন।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের এক সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই নৃশংস হামলায় ২৪ জন নিহত ও নেতাকর্মী-আইনজীবী-সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক লোক আহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের পত্নী আইভি রহমান।

তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতা এই গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে যান। এতে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচন্ড শব্দে তার শ্রবণশক্তিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

 

 

Read previous post:
বাহরাইনে ভবনধসে নিহত ৪

    বাহরাইনে একটি বহুতল ভবনধসে পড়ার ঘটনায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সালমানিয়ায় একটি পুরনো ভবন ধসে পড়ে।...

Close

উপরে