Logo
সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ | ২৬শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে অনাবৃষ্টির কবলে রোপা আবাদ, কৃষকরা দিশেহারা

প্রকাশের সময়: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | অক্টোবর ৯, ২০১৮

তৃতীয় মাত্রা :

মোঃ আহসান কবির, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি : অনাবৃষ্টি ও পোকা মাকড়ের আক্রমনে পড়েছে ঝিনাইদহে রোপা আমন চাষ। বর্ষার ভরা মৌসুমে কাংক্ষিত বৃষ্টি না হওয়ায় ক্ষেতে ঘাসের উপদ্রæপ বেড়েছে। সব মিলিয়ে রোপা চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় সেচ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষেতে পানি দিতে হচ্ছে। ফলে এবার লোকসানও গুনতে হতে পারে কৃষকদের। সরেজমিন দেখা গেছে, জেলার ৬ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আমন ক্ষেতের মাঠ গুলো ফেঁটে চৌচির হয়েছে গেছে। রোপা আমনের এই বাড়ন্ত সময়ে পানির অভাবে ফসলে দেখা দিচ্ছে নানা প্রকারের রোগবালাই। অনেক চাষি ফসল রক্ষায় সম্পুরক সেচ দিচ্ছে। তাতেও উপকার হচ্ছে না। এলাকার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ধানের গাছ থেকে থোড় গজানোর সময় এখন। প্রয়োজন প্রচুর পরিমান বৃষ্টির। কিন্তু বৃষ্টির দেখা মিলছে না। বৃষ্টিপাতের অভাবে রোপা আমন ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছে জেলার চাষীরা। জেলার অধিকাংশ ধানী জমির পানি শুকিয়ে গেছে। যেসব এলাকায় সেচ দেওয়া শুরু হয়নি, সেসব এলাকার ধান গাছ মাঠের পর মাঠ মরে যাচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় জমিতে সেচের পানি দেওয়া হচ্ছে। তাতেও খুব একটা উপকার হচ্ছে না। সেই সাথে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রকমের রোগবালাই। এ অবস্থায় সম্পূরক সেচ দিতে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। এতো কষ্টের পর ফলন কম ও লোকসানের আশঙ্কায় দিন কাটছে কৃষকদের। সদর উপজেলার ভিটশ্বর গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলাম জানান, বৃষ্টি না হওয়ার কারনে ধানে থোড় বের হলে বিভিন্ন পোঁকা-মাকোড় লাগবে যে কারণে ধানে বেশীর ভাগ চিটা হবে। মাঠে এখন পুরোপুরি ভাবে সেচ দিয়ে ধান গাছের গোড়ায় পানি রাখতে হচেছ। নলডাঙ্গা গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর জানান, এখনতো আর বৃষ্টি হবে না। যার কারণে আমরা সেচ পাম্প চালাচ্ছি। এতে অনেক তেল ও বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। বৃষ্টির পানি ছাড়া এই ধান ভাল হয়না বলে ওই কৃষক জানান। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ জি এম আব্দুর রউফ বলেন, এ বছর জেলার ৬ উপজেলায় রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে ১ লাখ ২’শ ৫০ হেক্টর জমিতে। রোগবালাই রোধে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নানান ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরামর্শ অনুযায়ী কৃষক সঠিক ভাবে চাষাবাদ করলে আশা করছি ফলন কম হবে না তারপর ও এই ধান চাষ বেশীর ভাগ বৃষ্টির পানির উপর নির্ভর করে।

Read previous post:
‘গুজব শনাক্তকরণ সেল’র কাজ শুরু এ মাসেই : তারানা

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে তথ্য অধিদফতর উপ-প্রধান তথ্য অফিসার রিফাত জাফরীনকে প্রধান করে ৯ সদস্যের ‘গুজব শনাক্তকরণ...

Close

উপরে