Logo
শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭ | ৬ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

খুলনায় অতিথি অভ্যর্থনায় স্থাপিত হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ভাস্কর্য

প্রকাশের সময়: ৩:২৫ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭

তৃতীয়মাত্রা :

মিনা অছিকুর রহমান দোলন, খুলনা  :

সুন্দরবনের কথা মুখে আসলে সবার আগে আসে খুলনার কথা। সুন্দরবন এবং খুলনা যেন এক সূতায় গাঁথা।  রয়েল বেঙ্গল টাইগারের নগরী হিসেবে খ্যাত খুলনা বিভাগীয় শহর। অতিথি অভ্যর্থনায় লাগানো বাঘের ভাস্কর্যটি গত দুই বছর ধরে খুলে রেখেছিলো খুলনা সিটি কর্পোরেশন। নগরীর রয়েল চত্বরে ফের স্থাপন করা হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ভাস্কর্য। সৌন্দর্য বাড়াতে সাথে যোগ করা হয়েছে সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ ও খালের প্রতিকৃতি। নির্মাণ কাজ শেষে আজ সকালে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভাস্কর্যটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেসিসি মেয়র মোঃ মনিরুজ্জামান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস, এম হাবিব, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর রুমা খাতুন সহ কেসিসি’র বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কেসিসির বিউটিফিকেশন সেলের চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলর আশফাকুর রহমান কাকন জানান, বাঘ রক্ষার ব্যাপারে সচেতনা বৃদ্ধি এবং খুলনার ঐতিহ্য তুলে ধরতেই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হচ্ছে। নগরীর কেডিএ এ্যাভিনিউ সৌন্দর্য বর্ধনের দায়িত্বে থাকা বিজ্ঞাপনী সংস্থা ভিউ ফাউন্ডার ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সঙ্গে সেখানে সুন্দরী ও কেওড়া গাছ, কৃত্রিম খাল ও পাখি রয়েছে।

ভিউ ফাউন্ডারের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, অনেক শহরে বাঘের ভাস্কর্য আছে-কিন্তু বাঘ বানাতে গিয়ে অনেকে বেড়াল বানিয়ে ফেলে। বাঘের শহরের রয়েল বেঙ্গলটি যাতে অন্যগুলোর চাইতে ব্যতিক্রম হয়-সেজন্য প্রায় তিন মাস সময় নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে।

রয়েল বেঙ্গল টাইগার ভাস্কর্যটির ভাস্কর শহিদুর রহমান পিটন। তিনি বলেন, ভাস্কর্যটি নির্মাণের আগে আমরা ঢাকা চিড়িয়াখানার কিউরেটরের সঙ্গে বেশ কয়েকদিন বৈঠক করেছি। রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখেছি-এরপর কাজে হাত দিয়েছি।

কেসিসির প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবিরুল জব্বার জানান, আগের বাঘটি দেখতে বেড়ালের মতো ছিলো। এজন্য প্রকৃত রয়েল বেঙ্গল টাইগার নির্মাণের জন্য এতদিন দেরি করা হয়েছে। আশা করছি, নগরীর মানুষ এবং খুলনা বেড়াতে আসা অতিথিরা খুলনার ঐতিহ্য সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা পাবেন।

রড, সিমেন্ট ও বালু দিয়ে তৈরি হয়েছে ভাস্কর্যটি। সুন্দরী গাছের শ্বাসমূল ও কৃত্রিম খালটি কংক্রিটের তৈরি। তবে সুন্দরী গাছগুলো আসল । ভাস্কর্যটি সাধারণ বাঘের চাইতে দেড়গুণ বড়। এটি সাড়ে ১১ ফুট লম্বা,  সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং লেজের দৈর্ঘ্য ৩ ফুট।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Read previous post:
আরিচায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৪০

তৃতীয়মাত্রা : মোঃ লিটন মিয়া, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন স্থানে...

Close

উপরে