Logo
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ | ৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রুবেলের পাশে বিসিবি

প্রকাশের সময়: ৫:২৮ অপরাহ্ণ - বুধবার | মার্চ ১৩, ২০১৯

তৃতীয় মাত্রা :

শুনতে কানে লাগে কিন্তু কঠিন সত্য হলো মোশাররফ রুবেল আর এখন জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য নন। টিম বাংলাদেশের হয়ে শেষ খেলেছেন ২০১৬ সালে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে। জীবনের ৩৭ বসন্ত পেরিয়ে আসা রুবেলের পক্ষে জাতীয় দলে পুনরায় ফেরার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অন্য ৮-১০ জন অপরিহার্য জাতীয় দলের সদস্যের মতো মোশাররফ রুবেলকেও একই চোখে দেখবে? বিভিন্ন সময় মাশরাফি, তামিম, নাসির, তাসকিনসহ সমসাময়িক ক্রিকেটারদের মতো রুবেলের ক্ষেত্রেও কি বোর্ড মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করবে?

একজন সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার হিসেবে হয়তো মানবিক কারণে মোশাররফ রুবেল বোর্ডের কাছ থেকে সব ধরনের সাহায্য ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা আশা করতেই পারেন। তবে কঠিন সত্য হলো, তিনি এখনো জাতীয় দলে ফিরলে বা জাতীয় দলের অপরিহার্য সদস্য থাকলে তাকে সুস্থ করে তুলতে বোর্ড যতোটা উন্মুখ থাকত, সঙ্গত কারণেই তা থাকার কথা নয় এখন।

তাহলে বিসিবি কি করবে? শুধু যৎসামান্য সাহায্য দিয়ে ক্ষান্ত দেবে বোর্ড? মোশাররফ রুবেলের ব্রেইন টিউমারের মতো বড় ও জটিল রোগ সারাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ভূমিকা কী থাকবে? তা জানতেও রাজ্যের কৌতূহল অনেকের।

যিনি এ কৌতূহলী প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো জবাব দিতে পারেন, সে বিসিবি প্রধান নির্বাহী (সিইও) নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজন আজ বুধবার বলেন, ‘আমরা মোশাররফ রুবেলের ব্রেইন টিউমারের বিষয়ে সম্যক অবগত ও তার রোগমুক্তিতে যারপরনাই আন্তরিক। বোর্ডপ্রধান নাজমুল হাসান পাপন স্যার নিজে এ বিষয়ে আন্তরিক। রুবেলের চিকিৎসায় সম্ভাব্য সব রকমের সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস তিনি দিয়েছেন। যার অধীনে চলবে রুবেলের চিকিৎসা, সেই মাউন্ট এলিজাবেথ হসপিটালের বিশেষজ্ঞের সঙ্গে বিসিবি প্রধান নিজেই কথা বলেছেন।’

সিইও আরও জানান, পাপন স্যার নিজেও সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চেকআপের জন্য যান মাঝে মধ্যে। তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে যেচেই কথা বলেছেন।

সিইও আশ্বস্ত করেছেন, বোর্ড মোশাররফ রুবেলের পাশে আছে, থাকবে। তিনি বলেন, ‘রুবেল সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন নিজ উদ্যোগেই। আমরা তার পাশে আছি ও থাকবো।’

সিইওর কথায় পরিষ্কার ইঙ্গিত মোশাররফ রুবেলের চিকিৎসার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ হয়তো বোর্ড বহন করবে। তবে এটা পরিষ্কার রুবেলের চিকিৎসার সমুদয় দায়-দায়িত্ব বোর্ড নিচ্ছে না। তারা ধরেই নিয়েছে রুবেল নিজ উদ্যোগেই সিঙ্গাপুর যাচ্ছে। একজন সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে মানবিক দিক থেকেই রুবেলের পাশে থাকবে বোর্ড।

সিইও নিজামউদ্দীন চৌধুরী যে তার চিকিৎসার ব্যাপারে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা নিজেই স্বীকার করেছেন মোশাররফ রুবেল। বুধবার সঙ্গে আলাপে রুবেল বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ১০টায় সিইও সুজন (নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজন) ভাই আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি আমাকে জানান সিঙ্গাপুর গিয়ে আমার চিকিৎসা শুরু করাতে। বোর্ড বিষয়টা দেখবে। বোর্ড এ বিষয়ে পুরোপুরি সচেতন এবং বোর্ডের যা করণীয় তা তারা করবে।’

Read previous post:
রক্তদানের যত উপকারিতা

তৃতীয় মাত্রা রক্তের প্রয়োজনীয়তার শেষ নেই। অসুখ-বিসুখ কিংবা দুর্ঘটনাজনিত কারণে অনেকেরই রক্তের প্রয়োজন হয়। গোটা বিশ্বে অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আছে...

Close

উপরে