Logo
মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আলোচনার কেন্দ্রে যখন ’নির্বাচনকালীন সরকার’

প্রকাশের সময়: ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ - শনিবার | সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮

তৃতীয় মাত্রা

নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু নির্বাচনকালীন সরকার। এই সরকারের মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে কিংবা কারা থাকছেন তাতে— এমন জল্পনা-কল্পনা সবখানে। সর্বপরি চলতি বছরের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সংবিধান অনুসারে নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে হবে এই নির্বাচন।

অতি সম্প্রতি আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা দেশীয় একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকার গঠন প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারে। এটা কেমন হবে আমাদের জানা নেই।’ তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ২০ জুন বলেছিলেন, ‘আগামী অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে। সে সময়ে মন্ত্রিসভার আকার ছোট হবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে ইতোমধ্যেই জানা গেছে, ডিসেম্বরে হতে যাচ্ছে নির্বাচন আর চলতি মাসেই এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনকালীন সরকারের আকার নিয়ে ওবায়দুল কাদের এখন বলছেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকার কখন হবে, সাইজ কি হবে? আকারে কতটা ছোট হবে, মন্ত্রিসভায় কতজন থাকবেন, তা একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এ বিষয়ে আর কেউ জানেন না। পার্টির সাধারণ সম্পাদক হয়ে আমিও এখন পর্যন্ত জানি না।’

দলের বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা গেছে, ১৮ থেকে ২০ সদস্যের নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে। এতে দলের সিনিয়র ও সরকারের একাধিক মন্ত্রী থাকবেন। ভিন্ন পরিস্থিতি না হলে জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের অন্যান্য শরিকদের মধ্য থেকে অনেককে সেই সরকারে  ঠাঁই দেয়া হবে।

সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, মতিয়া চৌধুরী, আবুল মাল আবদুল মুহিত, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ সিনিয়র নেতাদের নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা অনেকটাই নিশ্চিত।

এছাড়া আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গুডবুকে’ থাকা বিশ্বস্ত নেতারাও স্থান পেতে পারেন এই নির্বাচনকালীন সরকারে।

সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা না হলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা তাদের বক্তব্যে এই সরকারের কাঠামো, আকার এবং কর্মপরিধি সম্পর্কে বেশ ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছেন।

অর্থমন্ত্রী আবদুল মাল আবদুল মুহিত তো একধাপ এগিয়ে জানিয়েছেন, ২৭ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আর ২০ দিনের মধ্যে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে। ওই সরকারে নিজের থাকার সম্ভাবনার কথাও স্পষ্ট করেছেন তিনি। যদিও এমন ঘটা করে নির্বাচনের তারিখ বলে দেয়ায় অর্থমন্ত্রীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সিইসি বলেছেন, অর্থমন্ত্রী নির্বাচনের তারিখ বলে ঠিক কাজ করেননি। আর ওবায়দুলের কাদেরের ভাষ্য, এসব বলার দায়িত্ব কোনো মন্ত্রীর নয়, নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশনকে বিব্রত করা আমাদের কাজ না। নির্বাচন কমিশনই বলবে কবে নির্বাচন হবে।

 

 

 

 

 

 

-পরিবর্তন ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Read previous post:
বিলুপ্তির পথে গোপালগঞ্জের দেশি প্রজাতির মাছ!

তৃতীয় মাত্রা : মাসুদুর রহমান, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : আমরা মাছে-ভাতে বাঙালী। কিন্তু দিনে দিনে কমছে নদী-খাল-জলাশয়! যে সব নদী বা...

Close

উপরে