Logo
বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ | ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চবির আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ অন্যাথায় বহিষ্কার করবে প্রশাসন

প্রকাশের সময়: ৪:৩৩ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | জুন ১, ২০১৭
Uncategorized |

তৃতীয় মাত্রাঃ
চবি প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের সকল আবাসিক শিক্ষার্থীকে ৮জুলাইয়ের মধ্যে হল ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রত্যেক আবাসিক হলে  এই নির্দেশ দেয়া হয়।
জানা যায়, বিশ^বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা জন্য আবাসিক হল সমূহ আগামী ৯জুন থেকে ৪জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। হলে অবস্থানকারী সকল শিক্ষার্থীকে আগামী ৮জুন বিকাল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে হল ত্যাগ করতে হবে। উক্ত সময়সীমা শেষে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী হলগুলো তল্লশী চালিয়ে কক্ষসমূহ সীলগালা করে দিবে।
উল্লেখ্য, সকল আবাসিক শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের সময় তাদের কক্ষের মালামালের বিবরণসহ কক্ষের চাবি হল অফিসে জমা দিতে হবে। যেসব শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে হল ত্যাগ করেছেন তাদের কক্ষসমূহ হল প্রশাসন উক্ত শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সিলগালা করে দিবে। আর যেসব শিক্ষার্থী হলে অবৈধভাবে অবস্থান করছে তাদের মালামাল সরিয়ে নিতে হবে। অন্যাথায় এসব মালামাল বাজেয়াপ্রাপ্ত করবে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন।
আগামী ৫জুলাই সকাল আটটায় হলগুলো খুলে দেয়া হবে এবং হলে বরাদ্দকৃত শিক্ষার্থীরাই হলে পাওনা পরিশোধের রসিদ দেখিয়ে হল প্রশাসনের অনুমতিতে কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে। সীলগালাকৃত কোন কক্ষে হল প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোন ছাত্র-ছাত্রী প্রবেশ করলে কোন প্রকার কারণ দশানো ছাড়াই উক্ত শিক্ষার্থীকে বিশ^বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারসহ অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আজাদুর রহমান বলেন, প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে হলের অনেক আবাসিক শিক্ষার্থীকে তাদের টিউশন, কোচিং ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে। তিনি আরো বলেন, হঠাৎ প্রশাসনের হল ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেওয়ার মাধ্যমে  বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে।
মেয়েদের তিনটি আবাসিক হলের একাধিক ছাত্রী প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হঠাৎ করে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। কারণ মেয়েদের অধিকাংশের হলে আসন বরাদ্দ নেই, এই সময়ের মধ্যে তারা মালামাল নিয়ে কোথায় যাবে? তাছাড়া হল তল্লাশী করলে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় শিক্ষার্থীদের সামনে করে থাকে । কিন্তু এখন হল অফিসে চাবি জমা দিলে আমাদের অনুপস্থিতিতে তল্লাশী চালানোটা আমাদের প্রাইভেসি ক্ষুন্ন করা হবে বলে মনে করছি।

কি ধরনের ভৌত অবকাঠামো সংস্কার কার্যক্রম করা হবে জানতে চাইলে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, হলে  অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং বরাদ্দকৃত শিক্ষার্থীরা যাতে তাদের আসন নিশ্চিতভাবে বুঝে নিতে পারে তাই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ এফ রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. গণেশ চন্দ্র রায় বলেন, অনেক পুরাতন হলের ভৌত অবস্থা স্বল্প সময়ে সংস্কার করা হবে। যাদের কক্ষে অবৈধ মালামাল আছে তল্লাশী করে বের করা হবে এবং অন্যসব মালামাল সঠিক জায়গা থাকবে।

Read previous post:

তৃতীয় মাত্রা: আলকারিয়া চৌধুরী ,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃসামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক আইডি থেকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও আ,লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু...

Close

উপরে