Logo
রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১ | ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

‘ঝাল’ কমছে মরিচের, সবজিতে অপরিবর্তন

প্রকাশের সময়: ১:৩০ পূর্বাহ্ণ - মঙ্গলবার | সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬

এদিকে বাজারভেদে কিছুটা তারতম্য হলেও গড়ে অপরবর্তিত রয়েছে ইলিশের দাম। লবণের দাম এখনো না কমলেও শিগগিরই কমবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা।

চিকন চালের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা টাকা বাড়লেও আনুপাতিক হারে বেশি বেড়েছে মোটা চালের দাম।

সোমবার রাজধানীর একাধিক কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি দেশি কাঁচা মরিচ খুচরা পর্যায়ে ১৪০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ঈদের পর চলতি সপ্তাহের শুরুতে খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে। গত শনিবার বিক্রি হয়েছে ২০০-২৪০ টাকা।

কাঁচা মরিচের দাম কমার প্রসঙ্গে কাওরান বাজারে কাঁচা মরিচের আড়ৎদার আব্দুল কাইয়ুম জানান, সোমবার দেশি কাঁচা মরিচের পাইকারি দর ছিল কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ভারতীয় কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে।

vegitables

আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “গত দুই দিন ধইরে ইন্ডিয়া থেকে কাঁচামরিচ আসা শুরু হইসে। সাপ্লাই বাড়লে মরিচের দাম আরও কমবে।”

এদিকে কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমলেও ঈদের পর শাক-সবজির দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

ঈদের পর সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে বাজার করতে আসা গৃহিনী মাহজাবীন ইসলাম।

বলেন, “ঈদের আগের সময়ের তুলনায় প্রত্যেকটি জিনিসের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। যে কচুর লতি আগে (কেজি প্রতি) ২৫ টাকা ছিল সেটা আজকে ৩৫ টাকা করে কিনতে হয়েছে।”

এ বিষয়ে ওই বাজারের সবজি বিক্রেতা মোশাররফ হোসেন বলেন, “এই সময় বর্ষা বাদলের দিনে সবজির দাম একটু বাড়তি থাকেই। এইটা তেমন কোনো বিষয় না।”

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা আর পটল ৫০ টাকা।

এদিকে বাজার ভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা তারতম্য থাকলেও এখনো নাগালের মধ্যেই রয়েছে ইলিশ মাছ।

৮০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি ইলিশ মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায়, কারওয়ান বাজারে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় এবং মহাখালী বাজারে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায়।

baker-hilsa-sadhu-pic_87164

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী আনোয়ার বলেন, “এই মাস পুরোটা ইলিশ মোটামুটি সস্তা যাবে। সামনে ২৯ তারিখ থেকে মাছ ধরা ২০ দিনের জন্য বন্ধ হবে, তখন দাম আবার বাড়বে।”

এছাড়া দেশি কৈ মাছ প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৫০০-৬০০, রুই মাছ প্রতি কেজি ২৫০-৩৫০, কাতল প্রতি কেজি ৩০০-৩৫০, টেংরা প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, পাবদা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, কাঁচকি প্রতি কেজি ২০০-২৫০ টাকা, চিংড়ি (মাঝারি) ৩০০-৬০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি প্রতিটি ১৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ঈদের বেশ আগে থেকে চড়ে থাকা লবণের দাম এখনো অপরিবর্তিত আছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন শিগগিরই এই লবণের বাজার স্থিতিশীল হবে।

কারওয়ান বাজারের লবণের আড়তদার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, “লবণের দাম কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আমরা সবাই তাই লবণ কম মজুদ করছি।”

বর্তমানে রাজধানীতে প্রতি কেজি লবণ (চিকন দানা) ৩৮ থেকে ৪০ টাকা এবং মোটা দানার লবণ ২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, চিকন চালের দাম সম্প্রতি কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বাড়লেও মোটা চালের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে আট থেকে ১০ টাকা।

মিনিকেট, নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫২ টাকায় এবং মোটা চাল স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়।

চালের বাজার গত দুই মাস ধরেই এমন চলছে জানিয়ে কারওয়ান বাজারের চালের আড়তদার জসিমউদ্দিন  বলেন, “বাজারে মোটা চালের যোগান কম। এই কারণেই দাম বেশি।”

Read previous post:
ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে ডেটিং হবে যেভাবে

ভালোবাসা শব্দটির আভিধানিক অর্থ অনেকের কাছে বিয়ের আগের ভালোবাসাতেই প্রকাশ পায়। কিন্তু ভালোবাসা তো কোনো বন্দি বাক্স নয় যে তা...

Close

উপরে