Logo
রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১ | ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কেরালায় প্রবল বৃষ্টি ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

প্রকাশের সময়: ৩:৪২ অপরাহ্ণ - রবিবার | অক্টোবর ১৭, ২০২১

তৃতীয় মাত্রা

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় প্রবল বৃষ্টিপাত ও এর কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। এছাড়া এখনও কয়েক ডজন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। রাজ্যটির কোট্টাইয়াম জেলার কুট্টিকাল ও ইদুক্কিতে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

এর আগে শনিবার প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা ৫ জন বলে জানানো হয়েছিল। এছাড়া মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

এদিকে রোববার এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনার পর বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কেরালার সবরিমালা মন্দিরে ভক্তদের না যেতে অনুরোধ করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

রোববার ও সোমবারের জন্য এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ ব্যক্তিসহ দুর্যোগপীড়িত ভুক্তভোগীদের উদ্ধারের কাজ চলছে বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে ১৮ জনের মৃত্যুর পর বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নিখোঁজদের উদ্ধারে কেরালায় ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা পূর্ণ শক্তি নিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে। রাজ্যটির বহু জায়গা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। এছাড়া মধ্য কেরালার অনেক জায়গায় প্রবল বৃষ্টির জেরে ভূমিধস দেখা দিয়েছে।

এদিকে অতিবৃষ্টির কারণে রাজ্যের অনেক নদীর পানিই বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। এদিকে বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস। ইতোমধ্যে কেরালার কেরলেপ এর্নাকুলাম, ইদুক্কি, ত্রিচূড়, কোট্টায়াম, পত্থনমথিট্টা, পলক্কড় জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে তিরুঅনন্তপুরম, আলপ্পুঝা, মলপ্পুরম, কোঝিকোড়, কোল্লাম ও ওয়ানাড় জেলায়। মূলত আরব সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কারণেই এই ভারী বৃষ্টিপাত। দক্ষিণ ও মধ্য কেরালায় এখনও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও রাজ্যটির উত্তরাঞ্চলীয় জেলায় আজও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কেরালার রাস্তায় পানিতে আটকা পড়েছে একটি বাস। এ সময় বাসের জানালা দিয়ে যাত্রীদের বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।

রাজ্য সরকারের অনুরোধের পর সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় এগিয়ে এসেছেন। রাজ্যে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য সামরিক হেলিকপ্টার প্রস্তুত এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় এয়ার কমান্ডকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

ইতোমধ্যে রাজ্যের বন্যা কবলিত-এলাকায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যের প্যানগোদ সামরিক স্টেশন থেকে কানজিরাপ্পালিনের কোট্টাইয়াম জেলায় সেনাবাহিনী ৩০ সদস্যের একটি ইউনিট পাঠানো হয়েছে।

Read previous post:
প্রথম বারের মতো দেশে এবং বিদেশে পালিত হতে যাচ্ছে “শেখ রাসেল দিবস-২০২১”

তৃতীয় মাত্রা “শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস” এ প্রতিপাদ্যে নিয়ে আগামীকাল ১৮ অক্টোবর প্রথম বারের মত 'ক' শ্রেণির জাতীয়...

Close

উপরে