Logo
শনিবার, ০৬ মার্চ, ২০২১ | ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কুবির আড়াই হাজার ছাত্রীর জন্য মাত্র একটি আবাসিক হল

প্রকাশের সময়: ১১:২১ পূর্বাহ্ণ - রবিবার | জানুয়ারি ১৭, ২০২১

তৃতীয় মাত্রা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের হলে সিট পাওয়া যেন সোনার হরিণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই হাজারের বেশি ছাত্রীর বিপরীতে আবাসন সুবিধা পাচ্ছেন মাত্র ৩০৩ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ শতাংশ ছাত্রীই আবাসন সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। আবাসন সংকটের কারণে বেশিরভাগ ছাত্রীর বাধ্য হয়ে মেসে থাকতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী প্রায় সাত হাজার। এর মধ্যে ছাত্রদের জন্য তিনটি আবাসিক হল থাকলেও আড়াই হাজারের বেশি ছাত্রীর জন্য রয়েছে মাত্র একটি হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হল। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলে ছাত্রীদের থাকার জন্য রয়েছে মাত্র ১৮০ টি আসন। ১৮০টি আসনের বিপরীতে অবস্থান করছেন ৩০৩ জন ছাত্রী। নিচের তলার ৬টি রুমে ৮ জন করে এবং উপরের প্রতি তলার রুম প্রতি ৬ জন করে গাদাগাদি করে থাকছেন ছাত্রীরা। হলে অবস্থানরত এক ছাত্রী জানান, অধিকাংশ রুমেই ডাবলিং অর্থাৎ বিছানা ভাগাভাগি করে থাকতে হচ্ছে। এমনকি দুইটা রুমে ১২ জন করেও থাকছেন। যারফলে প্রায়ই নানারকম অসুখের সম্মুখীন হতে হয় তাদের। ফয়জুন্নেছা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সাবরিনা আলম বলেন, “প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার এখনো সমাধান হয়নি। চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হয়েও সিঙ্গেল সিট পাওয়া মুশকিল। অপরদিকে গণরুম গুলোর আরও বেহাল দশা। এমন অস্বাস্হ্যকর পরিবেশে বসবাস করার ফলে প্রায়ই নানারকম অসুখের সম্মুখীন হতে হয়। এদিকে করোনা পরবর্তী সময়েও যদি এমন অবস্থাা বহাল থাকে শিক্ষার্থীরা মারাত্নক স্বাস্হ্যঝুঁকিতে পড়বে বলে আমি মনে করি। তাই অতিদ্রুত আবাসন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।” হলের আবাসন সংকটের কারণে অনেকেই শহরের বিভিন্ন মেসে থাকছেন। পরিবহন সংখ্যা কম হওয়ায় ক্যাম্পাস যাতায়াতেও নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। মেসগুলোতে থাকতে ছাত্রীদের অতিরিক্ত দুই থেকে তিন হাজার টাকা গুণতে হচ্ছে। এমনকি মেসে থাকায় নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা অনেকের। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে একটিমাত্র ছাত্রী হল হওয়ায় অধিকাংশ ছাত্রীই আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেনা। কিন্তু বিষয়টা আমাদের জানা থাকলেও কিছু করা সম্ভব হচ্ছেনা। নতুন আরেকটি ছাত্রী হল হচ্ছে, সেটার কাজ সম্পন্ন হলে আবাসিক সুবিধা বাড়বে।” নতুন ছাত্রী হলের কাজের ধীরগতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ঠিকাদারের বিল আটকে থাকায় কাজে কিছুটা ধীরগতি হয়েছিল। শীঘ্রই বিল পরিশোধ করা হবে, আশাকরি দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।”

Read previous post:
মধ্যরাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় ডিএমপির নিষেধাজ্ঞা

তৃতীয় মাত্রা জাতীয় সংসদের অধিবেশনকে সামনে রেখে সংসদ ভবন এলাকায় সমাবেশ ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা...

Close

উপরে