Logo
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০ | ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে ধর্ষণ বিরোধী লংমার্চে হামলা, সাংবাদিক সহ আহত ২০,ডিআইজির ঘটনাস্থল পরিদর্শন

প্রকাশের সময়: ৯:১৮ অপরাহ্ণ - শনিবার | অক্টোবর ১৭, ২০২০

তৃতীয় মাত্রা

শেখ আশিকুন্নবী সজীব,ফেনী প্রতিনিধি, ১৭ অক্টোবর, ২০ ইং ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ এর নয় দফা দাবীতে ফেনীতে লংমার্চ এর সমাবেশে হামলা চালিয়েছে দূর্বৃত্তরা। হামলায় দুই সাংবাদিক ছাড়াও ১৫-২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানা ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় ফেনীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ শুরু হয়।সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের ফেনী জেলা সংগঠক সালমা আক্তার কলির সভাপতিত্বে ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ফেনী শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক পংকজ নাথ সূর্যের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র ফেনী জেলার সংগঠক জোবেদা আক্তার কচি, উদীচী ফেনী সংসদের সহ-সভাপতি মৌসুমি সোম, কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানা, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি মেহেদি হাসান নোবেল, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন প্রিন্স প্রমুখ।
সমাবেশ চলাকালে লং মার্চকারীরা ট্রাংক রোডের দোয়েল চত্বরে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর ছবি সংবলিত ফেস্টুনে ধর্ষণের প্রতীকি চিহ্ন ও ধর্ষন বিরোধী শ্লোগান লিখেন। এছাড়া সমাবেশে সরকার বিরোধী ও পুলিশকে উদ্দেশ্য করে মুহুমুহু শ্লোগান দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সমাবেশ শেষে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে শহরের মিশন হাসপাতালের সামনে পৌঁছলে দূর্বৃত্তরা হামলা চালায়। আদালতপাড়া সংলগ্ন নির্মান সুপার মার্কেটের সামনে পৌঁছলে দ্বিতীয় দফা হামলা চালানো হয়। এতে একাত্তর টিভির প্রতিনিধি জহিরুল হক মিলু,স্থানীয় সাপ্তাহিক হকার্স প্রতিনিধি ইয়াছির আরাফাত রুবেল ছাড়াও লং মার্চ কর্মী আসমানী আশা, রিপা মজুমদার, হৃদয়, শাহাদাত, জাওয়াদ, আনিকার নাম জানা গেছে।
ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানা অভিযোগ করেন, লং মার্চ সহ্য করতে না পেরে ট্রাংক রোডে সমাবেশ শেষে তারা হামলা চালিয়ে মারধর ও ৬টি গাড়ী ভাংচুর করে। এতে অন্তত ২শ নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে তার দাবী।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীল জানান, লং মার্চকারীরা বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর ছবিতে ‘ধর্ষকদের পাহারাদার’ লেখায় সাধারণ মানুষ প্রতিহত করেছে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধর্ষনের শাস্তি মৃত্যুদন্ড আইন করলেও একটি চক্র শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে পাঁয়তারা করেছে।
এদিকে একইদিন বিকেলে পুলিশের চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
Read previous post:
সুমনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ

তৃতীয় মাত্রা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি মামলায় রিমান্ডে থাকা এজাহারভুক্ত ছয় নম্বর আসামি সামছুদ্দিন সুমনকে...

Close

উপরে