Logo
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০ | ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

৪৭৪৫ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, হবে না আলোকসজ্জা

প্রকাশের সময়: ৯:২৯ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | অক্টোবর ১৬, ২০২০

তৃতীয় মাত্রা

আগামী ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় আয়োজন শারদীয় দুর্গোৎসব। এবছর খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় পূজার আয়োজন থাকলেও করোনার সতর্কবার্তা হিসেবে থাকছে না কোনও জাকজমক আলোকসজ্জা। তবে অন্ধকার দূরীকরণে প্রয়োজনীয় বাতির ব্যবস্থা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সংশ্লিষ্টদের মণ্ডপে আসতে হবে।
জানা গেছে, বিভাগের ৪৭৪৫টি মণ্ডপে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। আর মহানগরের ১৩৬টিসহ খুলনা জেলার ৯৭২টি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে।

খুলনার আর্য ধর্মসভা মন্দিরে প্রতিমা তৈরীর কাজ করছেন প্রীতম মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘প্রতিমা তৈরিতে এবার অন্যান্য বছরের চেয়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম একটু বেশি। কিন্তু শিল্পীরা কারণে তারা গত বছরের চেয়েও কম পারিশ্রমিক পাচ্ছেন।’

দেয়ানা দাসপাড়া সার্বজনীন পূজা মণ্ডপের কারিগর হৃদয় পাল বলেন, ‘প্রতিমা নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এখন রঙের প্রলেপসহ অন্যান্য সাজসজ্জার কাজ চলছে।’

দৌলতপুর ঋষিপাড়ার প্রতিমা শিল্পী মিঠু পাল জানান, ‘দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ব্যস্ততাও বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিমাগুলো আরও সুন্দর করা নিয়েই ব্যস্ত হতে হচ্ছে।’

খুলনার কেন্দ্রীয় আর্য ধর্মসভা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত শিবু ভট্টাচার্য জানান, আর্য ধর্মসভা মন্দিরে সব ধরনের নিরাপত্তা রয়েছে। এজন্য এখানে প্রতিবছর পূজা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। মন্দিরের চতুর্দিকে সিসি ক্যামেরা রয়েছে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদার জানান, করোনার কারণে এবছর একেবারে সাদামাটাভাবে দুর্গোৎসব আয়োজন থাকবে। কোনও ধরনের আলোকসজ্জা বা কোনও বাহ্যিকতা থাকবে না। পূজা অর্চনার জন্য যে আয়োজনটুকু নিতান্তই প্রয়োজন, সেটুকুই করা হবে। মন্দিরে লোকজন প্রবেশের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি কৃষ্ণপদ দাস জানান, এবছর পূজা আয়েজনে খুলনায় প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এবার কোনও বাড়তি আয়োজন থাকবে না।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খ. মোহিদ উদ্দিন জানান, নিরাপত্তার জন্য বিভাগের মণ্ডপে মণ্ডপে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, চেক পয়েন্ট, মোবাইল টিম, আনসার, কমিউনিটি পুলিশ, চৌকিদার এবং স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই প্রতিটি মণ্ডপে পূর্জা অর্চনা হবে।

খুলনা ডিআইজি কার্যালয়ের মিডিয়া সমন্বয়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মো. শরফুদ্দিন জানান, প্রতি পাঁচটি মণ্ডপের জন্য একজন অফিসার নিয়োজিত থাকবেন।

Read previous post:
জুবায়ের আবারও গিনেস বুকে নাম লেখালেন

তৃতীয় মাত্রা ‘নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচ’ ক্যাটাগরিতে অর্থাৎ কাঁধ দিয়ে ফুটবলকে শূন্যে ভাসিয়ে আবার কাঁধের ওপর নিয়ে আসার ফ্রি স্টাইলে...

Close

উপরে