Logo
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার হাতিয়ার ডিপ্লোমা চিকিৎসক

প্রকাশের সময়: ৩:৪৮ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | জুলাই ২৪, ২০২০

তৃতীয় মাত্রা

আল-আমীন রহমান, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: পুরো বিশ্বে এক অচেনা ভাইরাস নাম নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)। পুরো বিশ্ব আজ টালমাটাল হয়ে পড়েছে । বাংলাদেশের সহ বিশ্ব আজ চিকিৎসা সেবায় কালো মেঘের ছায়ায় আচ্ছন্ন। দেশের এই দুর্যোগ মুহুর্তে অচেনা নভেল করোনা ভাইরাস যুদ্ধ মোকাবেলায় বিএমডিসি নিবন্ধিত ডিপ্লোমা চিকিৎসক উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারগণ তাদের সবটুকু দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

এই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে প্রতিদিনই এই অচেনা নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এ আক্রান্ত হচ্ছে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও)। বলা বাহুল্য যে,করোনা ভাইরাসের এই সময়ে দেশের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র সহ কোভিড হাসপাতাল (সংযুক্তিতে) কর্মরত প্রায় ৪( চার) শতাধিক ডিপ্লোমা চিকিৎসক করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত হয়ছে। নেই তাদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী। তার পরও তারা তাদের কর্মস্থলে অকুতোভয় বীর স্বাস্থ্য সৈনিক হিসেবে করোনা যুদ্ধে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাধ্য মতো স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, নেই কোন তাদের পদোন্নতি, এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ বিধির জটিলতার কারণে বিগত এক যুগ ধরে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে এছাড়াও নেই কোন ইন্টার্নদের ভাতাসহ শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা ।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার প্রথম হাতিয়ার হচ্ছে ডিপ্লোমা চিকিৎসক। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে এবং অসচেতন।  দেখা যায় যে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতি ১০ জন রুগীর নমুনা পরীক্ষায় ৩-৪ জনই আক্রান্ত যা শতকরা ৩০ থেকে ৪০%। যদি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা ও সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে প্রতিরোধ না করা যায়, তাহলে গ্রামের প্রতিটি পরিবারই ঝুঁকি থাকবে।তাই  গ্রামীণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলায় উপ-সহকারী  কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিয়োগের কোন বিকল্প নেই।

এমতাবস্থায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব সহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে উপরোক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে বেকার ও কর্মহীন ডিপ্লোমা চিকিৎসক রয়েছেন তাদের কে করোনা ভাইরাসের মহামারি কাজে লাগিয়ে বর্তমানে সমস্যা নিরসনে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও দক্ষ স্বাস্থ্য কর্মীর সংকট ” দূর করা।

উল্লেখ্য যে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ বিধির জটিলতার কারণে বিগত প্রায় এক যুগ ধরে নিয়োগ বন্ধ থাকায় প্রায় ৩০ হাজার ডিপ্লোমা চিকিৎসক বেকার বসে আছে। এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে প্রায় ৩ হাজার উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও) পদ শুণ্য রয়েছে।

Read previous post:
শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরীঘাটে দুই ট্রাকের চাপায় হেল্পারের করুণ মৃত্যু

তৃতীয় মাত্রা ওমর ফারুক, শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের সখিপুর থানার নরসিংহপুর ফেরীঘাট (শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরীঘাট) এ দুটি ট্রাক চাপায় মজিবর রহমান সরকার...

Close

উপরে