Logo
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট, ২০২০ | ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

অর্থবছরের শেষদিনে রিজার্ভের নতুন রেকর্ড

প্রকাশের সময়: ৯:৫৭ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | জুলাই ২, ২০২০

তৃতীয় মাত্রা

চলমান করোনাভাইরাসের সংকটের মধ্যেও গত অর্থবছরের শেষ মাসে তিন দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন নতুন রেকর্ড গড়েছে। প্রায় তিনবছর পর গত ৩ জুন রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। এরপর ২৪ জুন ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। সর্বশেষ ৩০ জুন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০১ কোটি ডলার। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আমদানি-রপ্তানি কম থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার আয় যেমন কম ছিল তেমনি ব্যয়ও কম ছিল। তবে শেষ সময়ে এসে রেমিটেন্স বেড়েছে হু হু করে। জুনে রেমিটেন্স এসেছে ১৮৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। গত বছরের জুনের তুলনায় রেমিটেন্স বেড়েছে ৩৪ শতাংশ। এ ছাড়া গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট রেমিটেন্স এসেছে ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার। এর আগে কোনো অর্থবছরে এতবেশি রেমিটেন্স আসেনি। আগের অর্থবছরের তুলনায় রেমিটেন্স বেড়েছে ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেমিটেন্স আসে ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার। অন্যদিকে করোনার কারণে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশকে ঋণ দিয়েছে, যার ফলে রিজার্ভ বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, করোনা শুরুর দিকে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমদানি ব্যয় মেটাতে ব্যাংকগুলো ডলার কিনেছে। কিন্তু অর্থবছরের শেষের দিকে এখন ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করছে, আর তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিনছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২৯ জুন রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৯১ কোটি ডলার। আর ৩০ জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০১ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৭১ কোটি ডলার।

এর আগে ২০১৭ সালের ২২ জুন রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। অর্থাৎ তিনবছরে রিজার্ভ বেড়েছে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার। আর জুন মাসেই রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার। ২০১৫-১৬ সালে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১৬ কোটি ডলার। পরের বছর হয় ৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ডলার। পরের দুই বছর ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের ঘরে রিজার্ভ ওঠানামা করেছে।

Read previous post:
রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

তৃতীয় মাত্রা রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শ্রমিকদের...

Close

উপরে