Logo
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২০ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

মধুপুরে দাদা-নাতি মিলে রাতভর কিশোরীকে ধর্ষণ

প্রকাশের সময়: ১২:১২ অপরাহ্ণ - বুধবার | জুন ৩, ২০২০

 তৃতীয় মাত্রা

সাইফুল ইসলাম, মধুপুর (টাঙ্গাইল): মধুপুরে দাদা-নাতি মিলে কিশোরীকে অপহরণের পর নিজ বাড়িতে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মধুপুর উপজেলার কালিয়াকুড়ি গ্রামে গত শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। আর এ বিষয়ে ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করলেও একটি মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। যার ফলে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ এখন পর্যন্তও তাদের  গ্রেপ্তার করতে পারেননি।

এদিকে জানা যায়,”মধুপুর উপজেলার ফুলবাগচালা ইউনিয়নের কালিয়াকুড়ি গ্রামের নাতি কিশোর চান মিয়া (১৪) ও দাদা কবির হোসেন ওরফে কবজ (৫০) পাশের হাগুড়াকুড়ি উত্তরপাড়া গ্রামের এক কিশোরীকে (১৩) গত ৩০ ই মে দুপুরে বাড়ির পাশ থেকে অপহরণ করে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। এরপরে স্থানীয় ফরিদ মিয়ার বাড়ির পূর্ব পাশের ঘরের উত্তর পাশের কক্ষে দাদা-নাতি ওই কিশোরীকে রাতভর ধর্ষণ করেছেন।”

এছাড়াও পরেরদিন রবিবার ওই কিশোরীকে তার বাড়ির পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। আর ওই কিশোরীর বাবা-মা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে খবর পেয়ে সন্ধ্যায় কবির হোসেন ওরফে কবজের বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে ফেরত চাইলে তাদের কাছে নেই বলে জানায়।

এরপরে ওই কিশোরী অসুস্থবস্থায় বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনা তার মাকে খুলে বলেছিলেন। তারপর কিশোরীর অসহায় বাবা স্থানীয় মাতব্বর ও ইউপি সদস্যকে ঘটনা জানায়। এরপরে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে গত ১ লা জুন মধুপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।  তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি পুলিশ।

আর এদিকে স্থানীয় ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি প্রভাবশালী  মহল নানাভাবে অপতৎপরতা শুরু করেছেন। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকালে এক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঐ বৈঠকে মাতব্বরদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও দরকষাকষির একপর্যায়ে ফরিদ মিয়া ওই কিশোরীর বাবাকে বাড়ি বিক্রি করে অন্যত্র চলে যেতে হুমকি দিয়েছেন। আর ঐ কিশোরীর বাবাকে হুমকি দেওয়ায় স্থানীয় মাতব্বররা সালিশ থেকে উঠে চলে যান।

আর এ বিষয়ে অভিযুক্ত কবির হোসেন ওরফে কবজ (দাদা) জানিয়েছেন, “নাতির সঙ্গে ওই কিশোরীর কী হয়েছে তা তিনি জানেন না। শাশুড়ি অসুস্থ থাকায় তিনি শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিলেন।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নওশের আলী বলেন, “কিশোরীকে ধর্ষণের বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে ওপেন সিক্রেট। আর ধর্ষকের ভাই মো. ফরিদ মিয়া প্রভাবশালী হওয়ায় তারা বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার পায়তারা করছেন। থানায় মামলা হলেও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছন।”

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক কামাল জানিয়েছেন, “থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। এতে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

Read previous post:
সব রুটের ভাড়া ১ হাজার ৯৯৯ করল ইউএস-বাংলা

তৃতীয় মাত্রা যাত্রীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ভাড়া এক হাজার ৯৯৯ টাকা করেছে...

Close

উপরে