Logo
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০ | ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

অবশেষে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান

প্রকাশের সময়: ৬:৪১ অপরাহ্ণ - বুধবার | মে ২০, ২০২০

তৃতীয় মাত্রা

অবশেষে আজ বাংলাদেশের উপকূলে কমপক্ষে ঘণ্টায় ১১০ কিমি গতিবেগে (কেন্দ্রে) আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, দিক পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের দিকেই বেশি শক্তি নিয়ে আঘাত হেনেছে আম্পান। বিকেল ৪টা নাগাদ সুন্দরবনের একাংশ, মোংলা ও সাতক্ষীরা হয়ে বাংলাদেশের উপকূলে প্রবেশ করেছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। একইসাথে পশ্চিমবঙ্গেও আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড়টি। আজ রাত ৮টার মধ্যে সাগর আইল্যান্ডের পূর্বদিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ- বাংলাদেশ অতিক্রম করবে। উপকূল অতিক্রমের সময় বাতাসের গতিবেগ ধীরে ধীরে কমবে। ঘূর্ণিঝড়টির এগুনোর গতি এখন ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটারের কম। অন্যদিকে জোয়ারের সময় হওয়ায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা এখনো রয়েছে, কোথাও কোথাও ৯ফুট উচ্চতা পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসের খবর পাওয়া গেছে বলে আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে।

ঘূর্ণিঝড় এবং দ্বিতীয় পক্ষের চাদের সময়ের শেষ দিনের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০ ফুট তার অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১০ (দশ) নম্বর পুনঃ ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত পুনঃ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৯ (নয়) পুনঃ ৯ (নয়) নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৯ (নয়) নম্বর পুনঃ ৯ (নয়) নম্বর মহাবিপদ সংকেত এর আওতায় থাকবে। যদিও বলা হচ্ছে কক্সবাজারে এই ঘুর্নিঝড়টির আঘাত হানার সম্ভাবনা এখন অত্যন্ত ক্ষীণ। ঘূর্ণিঝড় অতিক্রম কালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলা সমুহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমুহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘন্টায় ১৪০-১৫০ কি. মি. বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

-জিয়াউদ্দিন খন্দকার

Read previous post:
তামাক পণ্য উৎপাদন বিক্রি বন্ধ হয়নি

তৃতীয় মাত্রা করোনাভাইরাসের কারণে সিগারেটসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও বিতরণ সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে...

Close

উপরে