Logo
শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আমতলী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ জেল হাজতে

প্রকাশের সময়: ৬:০৫ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | মার্চ ১৩, ২০১৮

তৃতীয়মাত্রা :

এম এ সাইদ খোকন, বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমানকে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারনা মামলায় মঙ্গলবার দুপুরে জেল হাজতে প্রেরন করেছে আদালত। পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম এ আদেশ দিয়েছেন। এ মামলার বাদী ইউসুফ মিয়ার পক্ষের আইনজীবী নাহিদ সুলতানা লাকি মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ৭ এপ্রিল আমতলী ডিগ্রী কলেজ জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন জারি হয়। ওই সময়ে কলেজ জাতীয়করণ হলেও শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ হয়নি। শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের কথা বলে ২০১৭ সালের শুরুতে অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান তাদের কাছ থেকে ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা চাঁদা উত্তোলন করেন। কিন্তু অধ্যক্ষ উত্তোলনকৃত টাকা দিয়ে কোন কাজ করেনি বলে অভিযোগ শিক্ষক-কর্মচারীদের। তাদের অভিযোগ অধ্যক্ষ এ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় অভিযোগ এনে আমতলী সরকারী কলেজের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী ইউসুফ মিয়া বাদী হয়ে ওই বছর ১২ ফেব্রুয়ারী আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক বৈজয়ন্তি বিশ্বাস মামলাটি আমলে নিয়ে বরগুনা জেলা বারের সভাপতি এ্যাড. আবদুল মোতালেব মিয়াকে তদন্তপুর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়। এ্যাড. মোতালেব মিয়া ওই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন যথাসময়ে আদালতে দাখিল করেন। আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের পরে মামলার আসামী অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান এ বছর ২৯ জানুয়ারী উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নেয়। উচ্চ আদালত ৬ সপ্তাহের মধ্যে নি¤œ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়। আসামী অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান বরগুনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করে গত ৮ মার্চ মামলাটি পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বদলী করিয়ে নিয়ে যান। সোমবার ১২ মার্চ ছিল নি¤œ আদালতে হাজির হওয়ার শেষ দিন। মঙ্গলবার পাথারঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী মো. ইউসুফ মিয়া জানান, আসামী কলেজের অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান একজন প্রতারক শে্িরনর লোক। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের কথা বলে ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অধ্যক্ষের এহেন কর্মকান্ডের বিচার চাই। অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমানের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার পরিবারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কেউ কোন মন্তব্য করেননি।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Read previous post:
মাদারীপুরে কালকিনিতে নিখোঁজের পর মৃতদেহ উদ্ধার

তৃতীয়মাত্রা :   মোঃ ইব্রাহীম, রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনির মধ্যেরচর গ্রামের একটি ডোবা থেকে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজের...

Close

উপরে