Logo
শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ২ শিক্ষার্থীকে জীবিত উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ৪:০৩ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | মার্চ ১৩, ২০১৮

তৃতীয়মাত্রা :

 

 

খায়রুল আলম সুমন. সিলেট ব্যুরো :    বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানের যাত্রী ছিলেন সিলেটের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ নেপালি শিক্ষার্থী। রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাপ্ত তালিকা ও ইউএস-বাংলার প্রকাশিত জীবিত যাত্রীদের তালিকা থেকে ২ জন শিক্ষার্থী জীবিত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সোমবার সন্ধ্যায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ এর জানানো জীবিত ১৯ জন যাত্রীর মধ্যে প্রিন্সি ধামী ও সামিনা বেনজারখার নামের দুইজন শিক্ষার্থী নামও দেখা যায়। প্রিন্সি ও সামিনা ছাড়াও জীবিত উদ্ধার হওয়া অন্য যাত্রীরা হলেন- ইমরানা কবির হাসি, কবির হোসেন, মেহেদী হাসান, রিজওয়ানা আব্দুল্লাহ সাঈদা, কামরুন নাহার স্বর্ণা, শাহরিন আহমেদ, মো. শাহীন বেপারি, মো. রিজওয়ানুল হক, কিশোর ত্রিপাটি, হরিপ্রসাদ সুবেদী, দয়ারাম তামরাকার, কিষাণ পান্ডে, আশিস রঞ্জিত, বিনোদ পৌদাল, সনম সখ্য, দিনেশ হুমাগাইন ও বসন্ত বহরা। দুর্ঘটনায় আহতদের নেপালের ৪টি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এই বিমানে যাত্রী ছিলেন রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্নিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, সামিনা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিন্সি ধামী। নেপাল সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৫০ জনের নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে নেপালের পুলিশের মুখপাত্র মনোজ নুপেন প্রাথমিকভাবে ৪০ জনের প্রাণহানির তথ্য জানিয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে ৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে নেয়ার পর আরও ৯ জন মারা গেছেন। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর বলেছেন, দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট টার্বোপ্রোপ বিমানটি ৬৭ আরোহী ও চার ক্রু নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল। তিনি বলেন, যাত্রীদের মধ্যে ৩৭ পুরুষ, ২৭ নারী ও দুই শিশু ছিল। এদের মধ্যে অন্তত ৩৩ জন নেপালের নাগরিক।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বারডায়ার ড্যাশ-৮ বিমানটি দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এতে আগুন ধরে যায়। নেপালের বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক সানজিব গৌতম বলেন, বিমানটির পাইলটকে বিমানবন্দরের দক্ষিণ-প্রান্ত থেকে রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিমানবন্দরের উত্তর অংশ থেকে বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করে পাইলট। এ সময় হঠাৎ বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। পরে বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে আছড়ে পড়ে বিমানটি। বিমান বিধ্বস্তের পরপরই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল, সেনাবাহিনী ও অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায়। বিমানবন্দরের অপর এক কর্মকর্তা বলেন, বিমানটি বিধ্বস্তের আগে আকাশে কাঁপতে শুরু করে।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Read previous post:
এবার নেপালের আকাশে একঘণ্টা অপেক্ষায় বিমানের ফ্লাইট

এবার বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটকে অবতরণের অনুমতি না দিয়ে আকাশে দাঁড় করিয়ে রাখলো কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট। ইউএস বাংলা'র ফ্লাইটের প্রাণঘাতি...

Close

উপরে