Logo
শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নির্ধারিত সময়ের আগেই ফাইভ-জি চালু সম্ভব

প্রকাশের সময়: ৩:৩৯ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯

তৃতীয় মাত্রা

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে ফাইভ-জি সেবা দিতে পরিকল্পনা ও নীতিমালা প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এই কমিটি ফাইভ-জি প্রযুক্তি প্রবর্তনের লক্ষ্যে আগামী বছরের জানুয়ারি নাগাদ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা এবং পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন খাঁন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করা সময়ের আগেই ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সহায়তায় ফাইভ-জি সেবা চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বিটিআরসি।

বিটিআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের লক্ষ্য ও পরিকল্পনায় ২০২১-২৩ সালের মধ্যে ফাইভ-জি চালু করা হবে মর্মে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। নির্বাচনী ইশতেহারের লক্ষ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান বিকাশের ধারাবাহিকতায় সরকার শিগগিরই ফাইভ-জি সেবা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারের ফাইভ-জি সেবা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফাইভ-জি সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা ও একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য সরকারের প্রতিনিধি, বিটিআরসির প্রতিনিধি, অপারেটরের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গত ৪ আগস্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ফাইভ-জি প্রযুক্তি প্রবর্তনের রূপরেখা, সম্ভাব্য তরঙ্গ, সম্ভাব্য তরঙ্গমূল্য এবং বাস্তবায়ন সময়কাল প্রণয়ন করবে। সেইসঙ্গে ফাইভ-জির একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করবে। আশা করা যায়, ওই কমিটি আগামী বছরের জানুয়ারি নাগাদ ফাইভ-জি সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করবে।

মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবার সর্বশেষ সংস্করণ হলো ফাইভ-জি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ফোর-জি প্রযুক্তি অপেক্ষা নেটওয়ার্ক ক্যাপাসিটি বহু গুণ বৃদ্ধি করা যাবে। এই প্রযুক্তিতে গ্রাহক প্রতি ডাটা রেট, গতিশীলতা অনেক গুণে উন্নত হবে। বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল গ্রাহক হিসেবে শুধু মানুষকে বিবেচনা করা হলেও ফাইভ-জি প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান সার্ভিস হলো ইন্টারনেট অব থিংকস, যেখানে যন্ত্রের মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোকেও গ্রাহক হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সরকারের ফাইভ-জি সেবা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২৮ গিগাহার্জ ব্যান্ডে ফাইভ-জি সার্ভিসের ওপর ভেন্ডরের মাধ্যমে একটি ডেমোনেস্ট্রেশন প্রদর্শন করা হয়েছে। বর্তমানে ২.৬ গিগাহার্জ, ৩.৫ গিগাহার্জ ইত্যাদি ব্যান্ডগুলো ফাইভ-জি সেবার জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফাইভ-জি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ২.৬ গিগাহার্জ, ৩.৫ গিগাহার্জ ব্যান্ডের সঙ্গে অন্যান্য ব্যান্ডের বিষয়ে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড রেডিও কনফারেন্সে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) মাধ্যমে ২৫০০-২৬৯০ মেগাহার্জ, ৩৩০০-৪২০০ মেগাহার্জ, ২৬-২৮ গিগাহার্জ, ৩২ গিগাহার্জ, ৩৮ গিগাহার্জ, ৪০ গিগাহার্জ এবং ৪৩ গিগাহার্জ ব্যান্ডগুলো ফাইভ-জি প্রযুক্তির জন্য তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

Read previous post:
বাছিরকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

তৃতীয় মাত্রা ডেস্ক রিপোর্ট : ৪০ লাখ টাকা ঘুষ কেলেঙ্কারি মামলার আসামি সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক...

Close

উপরে